Sunday, August 23

বুলবুলের কারণে ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামা শুরু

0

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল থেকে বন্দরে পণ্য ওঠানামার কাজ শুরু হয়েছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার রাত ও সোমবার দিনে কয়েকটি জাহাজ বন্দরে এসেছে ও বন্দর ত্যাগ করেছে। বর্তমানে বন্দরে ১৮টি জাহাজ অবস্থান করছে।

ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী মোংলাসহ সুন্দরবনের আশপাশের এলাকায় পরিস্থিতি ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ঝড়ের কবলে পড়ে বিধ্বস্ত হওয়া বাড়িঘর মেরামতের কাজ শুরু করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে এখনও কোনো লোকজন ত্রাণ বা সরকারি সাহায্য পায়নি।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাহাত মান্নান জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কবলে মোংলায় ১ হাজার ৩৭০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৯৮টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১ হাজার ১৭২টি বাড়িঘর আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া ১ হাজার ৬৮০টি চিংড়ি ঘের ভেসে গেছে। এ কারণে এই খাতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপড়ে পড়েছে প্রচুর গাছ এবং রাস্তাঘাট ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেছে।

টানা ভারী বর্ষণে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ঝড়ে বিপর্যস্ত হওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এখন পর্যন্ত মেরামর করা সম্ভব হয়নি। ফলে অধিকাংশ এলাকায় গত তিনদিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই। কবে নাগাদ পুরোপুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব হবে তা সংশ্লিষ্টরা জানাতে পারছেন না।

এদিকে ঝড়ে সুন্দরবনের অভ্যন্তরের বন বিভাগের বেশ কিছু অবকাঠামো ভেঙে গেছে। উপড়ে গেছে বহু গাছপালা।

অন্যদিকে দুবলার চরের শুঁটকি পল্লি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলেদের তৈরি অস্থায়ী ঘরগুলোর অধিকাংশই বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.