Sunday, August 23

গ্রামীণফোনকে ২হাজার কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ

0

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবি করা পাওনা ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার মধ্যে ২০০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে যদি এ টাকা না দেয়া হয়, তাহলে দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে না বলেও আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

টাকা পরিশোধের সময়সীমা বিষয়ে বিটিআরসির আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ করতে আপিল বিভাগ নির্দেশ দিয়েছেন। তবে গ্রামীণফোনের আইনজীবী মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, আজ থেকে তিন মাসের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ১৪ই নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানিতে অর্থমন্ত্রী ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে সমঝোতা বৈঠকের প্রস্তাবনা অনুযায়ী ২০০ কোটি টাকা পর্যায়ক্রমে বিটিআরসিকে দিতে সম্মতির কথা জানায় গ্রামীণফোন। তবে এর বিরোধিতা করে বিটিআরসির আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, গ্রামীণফোনের কাছ থেকে বিটিআরসির পাওনা আদায়ের ওপর হাইকোর্টের দেয়া নিষেধাজ্ঞা আমরা স্থগিত চাই।

এর আগে গত ৩রা অক্টোবর অর্থমন্ত্রী ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে গ্রামীণফোনের এক সমঝোতা বৈঠকে পাঁচটি প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবগুলো হলো :

১. দুই পক্ষ একটি কমিটি গঠন করে পাওনা পরীক্ষা অথবা পরীক্ষার পদ্ধতি বের করবে।

২. বিটিআরসি লাইসেন্স বাতিলের কারণ দর্শানোর নোটিশ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে। অন্যদিকে অপারেটররা মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেবে।

৩. অর্থমন্ত্রী, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, এনবিআর ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাখবেন।

৪. কমিটি গঠন ও কমিটির কাজ শুরুর আগে আগামী সাতদিনের মধ্যে গ্রামীণফোন ১০০ কোটি ও পরের এক মাসের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা বিটিআরসিকে দেবে। রবি দেবে দুই দফায় ৫০ কোটি টাকা।

৫. এসব প্রস্তাব প্রস্তাব দুই অপারেটর তাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পর্যালোচনা ও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.