আর্ত-মানবতার সেবায় অন্যতম ভূমিকা রাখছেন হাটহাজারী আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য এবং ফতেয়াবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট রাজনীতিবীদ ও সমাজ সেবক, আলহাজ্ব নাছির আহমেদ চৌধুরী। “মানুষ মানুষের জন্য” এই মূল মন্ত্রটিকে বুকে ধারণ করে মানবতার সেবায় অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে আসছেন তিনি। করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের এই ক্রান্তিলগ্নে সমাজ, দেশ এবং দেশের হত দরিদ্র মানুষের কল্যাণে তার এই অগ্রনী ভূমিকা এগিয়ে যাক এটাই সৃষ্টিশীল মানুষের এবং হাটহাজারীর সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। মানবতার সেবায় নিজ স্বকীয়তায় মানুষের মনের মনিকোঠা জুড়ে বিরাজ করছে আলহাজ্ব নাছির আহমেদ চৌধুরী নামটি। তার নিজস্ব অর্থায়নে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে এক উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। হাটহাজারী উপজেলার ১২নং চিকনদন্ডী এবং ফতেয়াবাদের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, আর্ত-মানবতার সেবায় সব সময়ই অনুকরণীয় আদর্শের নাম আলহাজ্ব নাছির আহমেদ চৌধুরী। করোনার প্রার্দুভাবে হাটহাজারীর গৃহবন্ধি গরীব অসহায় মানুষের মাঝে তার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। আলহাজ্ব নাছির আহমেদ চৌধুরীর মানুষের জন্য কিছু করার দৃঢ় মনোবলের প্রমাণ মেলে করোনায় গৃহবন্ধি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের মধ্য দিয়ে রমজানের আগমুহুর্ত থেকে প্রায় ২ হাজার ৫ শত পরিবারের মাঝে তিনি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন এবং রমজান মাসেও তা চলমান থাকবে বলে তিনি জানান। তার ত্রান সামগ্রী বিতরণের জন্য ১০ থেকে ১৫ জনের একটি বলেনটিয়ার টিম রয়েছে। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে উক্ত এলাকার সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। তারা হলো-যুবলীগ নেতা মোঃ সাজ্জাদ, মোঃ আলতাফ, ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন আহমেদ, মোঃ মিন্টু, মোঃ সুজন, কে আই জিহান, মোঃ আরিফ, মোঃ মহিউদ্দিন, মোঃ মেজবা, শাফায়েত মজুমদার, রাহি, মেহেরাজ, আকিব, মোঃ তুরাগ, নাহিয়ান সহ আরো অনেকে। আলহাজ্ব নাছির আহমেদ চৌধুরী বলেন, নিজের প্রচারনা করার জন্য নয় এবং নিজেকে এই দেশের নামি-দামি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক হিসেবে নিজেকে উন্মোচন করার জন্য নয়। আমি চেষ্টা করছি এ দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে। পাশাপাশি মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে। যাতে করে সকলের মধ্যে থাকা আত্ম-বিবেক জাগ্রত হয়ে আমরা সবাই সবার হতে পারি এবং সবাই সবার জন্য কাজ করতে পারি। সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা বিবেচনায় রেখেই আমি আর্ত-মানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছি এবং যাব। নাছির আহমেদ চৌধুরী আরো বলেন, আর্ত-মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই রয়েছে জীবনের সার্থকতা। জীবনের উদ্দেশ্য শুধু নিজের সফলতা, নিজেকে সুখী করা নয় বরং প্রত্যেক মানুষের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অন্যের সফলতার কাজে, দেশ ও সমাজের উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে নিজের সফলতাকে অনুধাবন করা। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে দান করে এবং মানবসেবা করে কেউ কখনো গরীব হয়নি বরং গরীব মানসিকতার মানুষগুলোই কখনো সমাজ, দেশ ও দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করতে পারেনি। পৃথিবীতে সেই মানুষগলোই বেশি সফলতা পেয়েছে যারা আর্ত-মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হয়েছে। তাই আমাদের সকলের উচিত মানুষকে ভালোবাসা, আর্ত-মানবতার সেবায় উজ্জিবিত হয়ে মানবতার কল্যাণে দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করা। তাহলেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং তার সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।