আসামীদ্বয় মহিলা হলেও চুরি করাই তাদের একমাত্র পেশা। আসামীদ্বয় বতর্মানে করোনা ভাইরাস মহামারীতে খাবারের অভাবে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ত্রাণের জন্য ঘুরে বেড়ায়। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা দেখে যে কার বাসায় কি আছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার সকালে অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় কোতোয়ালী থানাধীন আন্দরকিল্লা, ৪৯০/রাজাপুকুর লেইন, কাজী ম্যানশন নামক বাসার ভিতর হইতে দুইটি মোবাইল, দুই জোড়া জুতা, দুইটি কাটার ও ০১টি স্ক্রু ড্রাইভার চুরি করে নিয়ে যায়। মামলার বাদী হামিদা আক্তার তৈয়বা (২৭) তার স্বামীর মোবাইল ফোন খুঁজে না পেয়ে বারংবার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ পায়। আরো দেখে যে, তার শ্বশুরের মোবাইলও নাই। এছাড়াও তাদের পরিবারের লোকজনের দুই জোড়া জুতা, ০১টি স্ক্রু ড্রাইভার, ০২টি কাটার খুঁজে না পেয়ে উক্ত জিনিসপত্র খোঁজাখুঁজি করাকালে সকাল অনুমান ১১.১১ ঘটিকার সময় মোবাইল নম্বর-০১৮৪০২৩৩৪১২ হইতে কল করিয়া নিজেকে মোঃ নুরুল হক(৪৫), পিতা মৃত আব্দুল করিম তিনি চৌধুরী মোঃ ইকবাল সাহেব এর বিল্ডিং, ৭নং রহমতগঞ্জ বাই লেইন, জেএমসেন হলের পিছনে, (০১৮৭৫৯৯৫৮৩৮) দারোয়ান হিসাবে পরিচয় দিয়া ঐ ভদ্র লোক দুইজন মহিলা চোর দুইটি মোবাইল সহ আটক করিয়াছে এবং চৌধুরী মোঃ ইকবাল সাহেব এর বিল্ডিং, ৭নং রহমতগঞ্জ বাই লেইন, জেএমসেন হলের পিছনে, স্থানে যাইতে বলে। বাদী তাহার শ্বাশুড়ী সহ উক্ত ব্যক্তির কথামত উক্ত স্থানে গিয়া পুলিশ সহ উপরোক্ত আসামীদ্বয় কে দেখতে পান এবং সকলের সম্মুখে আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে তাহাদের উপরোক্ত নাম ঠিকানা প্রকাশ সহ বাদীর বাসা হইতে মোবাইল দুইটি সকালে চুরির কথা স্বীকার করে। বাদীর স্বামী ও তাহার শ্বশুড়ের মোবাইল দুইটি সনাক্ত করেন। এসআই/ধর্মেন্দু দাশ সঙ্গীয় ফোর্সসহ আসামীদ্বয়ের হেফাজত হইতে বাদীর স্বামীর ও তাহার শ^শুড়ের চোরাই যাওয়া মোবাইল দুইটি, দুই জোড়া জুতা, দুইটি কাটার ও ০১টি স্ক্রু ড্রাইভার উদ্ধার পূর্বক জব্দ করেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ১নং আসামী জানান যে, সে ০৬ মাসের। বাদী থানায় আসিয়া ধৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করিলে দঃ বিঃ আইনের ৪৫৪/৩৮০ ধারায় মামলা রুজু হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের নাম ও ঠিকানা ০১) তাসলিমা বেগম(১৯), স্বামী মনির হোসেন, পিতা জমির উদ্দিন, মাতা-রিনা বেগম, সাং তুলাতলী, আলী স্টোর বিল্ডিং, জসিমের ভাড়াঘর, রাজাকালী, থানা বাকলিয়া, জেলা চট্টগ্রাম।
০২) তাসনুর বেগম(১৮), স্বামী তুহিন হোসেন, পিতা জমির উদ্দিন, মাতা-রিনা বেগম, সাং চকবাজার, মাস্টার কলোনী, বড় মিয়া মসজিদের গলির ভিতর, ইউসুফের ভাড়াঘরের রুম নং-০৩, থানা চকবাজার, জেলা চট্টগ্রাম।
এসআই ধর্মেন্দু দাশ, এএসআই মিজানুর রহমান-২ ও সঙ্গীয় নারী ফোর্স অভিযান পরিচালানা করেন।