হেমন্তের মাঝামাঝি ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে তাপমাত্রা কমে আসায় দেশের সর্বত্র হিম হিম ভাব। গতকাল রবিবার সকালে আকাশের গোমরা মুখই দেখছে রাজধানীবাসী। ক্ষণিকের জন্য বারদুয়েক অবশ্য উঁকি মেরেছিল সূর্যি মামা। এর পরই আকাশ ঢেকেছে মেঘে। প্রকৃতির খামখেয়ালীতে ঝরেছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, যদিও শরীর ভিজিয়ে দেওয়ার মতো নয়। তবে নাগরিক জীবনকে পোহাতে হয় বিড়ম্বনা।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আজ সোমবারও বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। ধীরে ধীরে নভেম্বরে রাতের তাপমাত্রা কমতে থাকবে। ভর করবে কুয়াশা ও শীতের দাপট। ডিসেম্বরের
দেশে গতকাল রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনার কুমারখালীতে সর্বোচ্চ ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আর হলকা বৃষ্টি ঝরেছে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, নিকলী, চাঁদপুর, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, চুয়াডাঙ্গা ও পটুয়াখালীতে।
রুহুল কুদ্দুস জানান, দক্ষিণ আন্দামান ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে মধ্য আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। বঙ্গোপসাগর থেকে আগত লঘুচাপটির বর্ধিতাংশ বর্তমানে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। সেটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। তবে কয়েকদিন ধরে বিরাজমান মেঘলা আবহাওয়ায় কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে, এর প্রভাব সোমবারও থাকতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে এর নাম হবে ‘জাওয়াদ’, যা সৌদি আরবের দেওয়া নাম।
সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছিল গত ১১ নভেম্বর। তা দুর্বল হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে যাওয়ার পর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে দুদিন ধরে।