Thursday, July 30

চতুর্থ ব্যাচের মডেল মেডিসিন শপ প্রশিক্ষণের সমাপ্তি

0

ফার্মাসী কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ (পি.সি.বি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) এবং ম্যানেজমেন্ট সাইন্সেস ফর হেল্থ (এম.এস.এইচ) এর সার্বিক সহযোগীতায় চাঁদপুর জেলায় মডেল মেডিসিনশপ স্থাপন ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে অনলাইন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২২ নভেম্বর, ২০২১ চতুর্থ ব্যাচের ১২ দিনের প্রশিক্ষণ সফল ভাবে সমাপ্ত হয়েছে। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর অর্থায়ন করছে ব্রিটিশ সরকারের ফরেন, কমনওয়েলথ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)।

 

চাঁদপুর জেলার ৩৫ জন গ্রেড সি-ফার্মেসী টেকনিশিয়ানের উপস্থিতিতে উক্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছেন এম.এস.এইচ এর মো: রূহুল্লাহ সিদ্দিকী (বিএইচবি প্রকল্প)।

তার যোগ্য পরিচালনায় সকল ফার্মাসিস্টরা মুগ্ধ। সোমবার ট্রেনিং এর ১২ তম দিন শেষে সকল ফামর্িিসস্টদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনা দেখা গিয়েছে কারন ট্রেনিং এর বিষয়বস্তু, ডিজাইন এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যাবহার নতুনত্ত্ব এনেছে। মো: রূহুল্লাহ সিদ্দিকীর স্বপ্ন এই ট্রেনিং প্রোগ্রামটি একটি মডেল ট্রেনিং হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করা। এবং এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছেন।

এই ট্রেনিং-এ সমাপনি বক্তব্য উপস্থাপন করেন চাঁদপুর জেলার বিসিডিএস এর সভাপতি মো: মোস্তফা রুহুল আনোয়ার। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রজেক্ট টিম লিডার মো: নূরুজ্জামান (এম.এস.এইচ) এবং সম্মানিত রিসোর্স পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রফেসর ড. মো: আমিরুল ইসলাম। শেষদিন মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা।

সপ্তদশ জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির মূল লক্ষ্য অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সহজ লভ্যতা, মূল্য নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং সর্বত্র সেগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। দেশীয় ওষুধ শিল্পের উন্নয়ন ও প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

১২ দিন প্রশিক্ষনে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল, মডেল মেডিসিন শপ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কিছু আদর্শমান তৈরি হয়েছে। ওষুধ ডিসপেন্সারের ডিসপেন্সিং দক্ষতা, প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা, সেবা প্রদান পদ্ধতি, বিক্রয়কৃত ওষুধের ধরন এবং মডেল মেডিসিন শপের অবকাঠামো প্রতিটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে ১১ টি আদর্শমান।

গুড ডিসপেন্সিং প্র্যাকটিস নিশ্চিতিকরণের মাধ্যমে করোনা মহামারি কালীন সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ফার্মাসিষ্ট,ডিপ্লোমা-ফার্মাসিষ্ট,ফার্মেসি টেকনিশিয়ানদের ভূমিকা। ওষুধ সঠিকভাবে ডিসপেন্সিং অর্থ শুধুমাত্র রোগী বা গ্রাহককে ওষুধ দেয়া নয়। ওষুধ ডিসপেন্সিং মূলত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সর্বশেষ ধাপ যেখানে রোগী,গ্রাহক সেবাদানকারী ডিসপেন্সারের সাথে মূখোমুখি হন।

এখান থেকে একজন ডিসপেনসার সঠিক রোগীদের, সঠিক ওষুধ, সঠিক মাত্রায়, সঠিক পরিমাণে, সঠিক মোড়কে প্রদান করে। ডিসপেন্সিং এর উপর অনেকসময় রোগীর বা গ্রাহকের চিকিৎসার ফলাফল নির্ভর করে। অর্থাৎ রোগী ভাল হবে কিনা বা কত দ্রুত ভাল হবে তা সঠিক ডিসপেন্সিং এর উপর নির্ভর করে।

ট্রেনিং কার্যক্রমের ধারাবাহিক অংশহিসেবে পঞ্চম ব্যাচের প্রশিক্ষণ ৩৫ জন প্রশিক্ষনার্থীর উপস্থিতিতে ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১২ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত একটানা ১২ দিন (শুক্রবার ব্যাতিত) চলবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম প্রতিদিন দুপুর শোয়া ২ টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল পোনে ৪ টা পর্যন্ত চলবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.