আরিফুল ইসলাম সুজন (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাষন্ড স্বামীর নির্যাতনে আলেমা বেগম (৩৮) উলিপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের মহাদেব গ্রামের মহিবুল হাসান (৪৫) স্ত্রীর রোজগারকৃত গচ্ছিত টাকার দাবীতে দীর্ঘদিন থেকে নির্যাতন করছিল। গত শুক্রবার (২জুন) সন্ধ্যায় স্ত্রীর নিকট টাকা না পেয়ে গলায় রশি পেচিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এ সময় ঐ গৃহবধু অচেতন হয়ে পড়ে। এলাকাবাসী মরনাপন্ন অবস্থায় তাকে উলিপুর হাসপাতালে ভর্তি করায়। সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর গ্রহর গুনছে।
জানা গেছে, ১৮ বছর পূর্বে এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মেদ আলীর কন্যা আলেমা বেগমের সাথে বিয়ে হয় পাশ্ববর্তী গ্রামের পাষন্ড মহিবুল হাসান এর সঙ্গে। গৃহবধু পাষন্ড স্বামীর নিকট ভরন পোষন না পেয়ে চট্রগ্রামে এক গার্মেন্টস কারখানায় চাকুরী নেয়। ৫ বছরও স্ত্রীর খোঁজ খবর নেয়নি স্বামী মহিবুল হাসান। কয়েকদিন পূর্বে চট্রগ্রাম থেকে বাড়ী ফিরে আসে ওই গৃহবধু। এরপর তার উপার্জনকৃত টাকা দাবী করে স্বামী মহিবুল হাসান। টাকা না পেয়ে সে বেধড়ক মারপিট করে স্ত্রী আলেমা বেগমকে। এক পর্যায়ে গলায় রশি পেচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারার চেষ্টা করে।
এ সময় ওই গৃহবধু অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকাবাসী জানতে পেরে তড়ি-ঘরি করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। নির্যাতনের শিকার আলেমা বেগম এখন মরনাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।