মিলন খান, খোকসা: খোকসা উপজেলায় কালবৈশাখী তান্ডব ও শীলা বৃষ্টিতে জান মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়াগেছে।
গত শুক্রবার ও শনিবার ভোর রাতে কাল বৈশাখী তান্ডব ও প্রচন্ড শীলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন শোমসপুর, গোপগ্রাম, জয়ন্তীহাজরা ও আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে শুক্রবার বিকালে ও শনিবার ভোর রাতে দু’দফা কালবৈশাখী তান্ডব ও প্রচন্ড শলী বৃষ্টিতে আধাপাকা ও টিনের ঘরবাড়ী সহ উঠতি ফসল পিয়াজ, গম, ধান, কলা ও আমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিষ্ণপদসাহা জানান ৪টি ইউনিয়নে প্রাথমিক ভাবে জানাগেছে কৃষিতে শীলা বৃষ্টির কারণে বোরো ধান ১২০হেক্টর, পিয়াজ ১০০হেক্টর, গম ৭০হেক্টর, পিয়াজের ফুল (কদম) ২০হেক্টর, কলা ৭০হেক্টর সবজি ১৭হেক্টর, আম ১৫হেক্টর ও লিচু ৪হেক্টর জমির ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক্ষয়ক্ষতির পরিমান আরো বৃদ্ধি হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। এদিকে শনিবার বিকালে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মাদ নূর-এ-আলম সরেজমিনে পরিদর্শনে দু’দফা বৈশাখী তান্ডবের ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামের পরিবারদের দেখতে যান। এসময় তিনি উঠতি ফসলী ও কৃষকের বিভিন্ন ফসলের অবস্থা সচক্ষে অবলকন করেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান তদন্তকরে সঠিক ক্ষয়ক্ষতি নিরপন করে পরবর্তীতে আপনাদেরকে জানানো হবে।
অপরদিকে বৈশাখী তান্ডব ও শীলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ ঘর হারা আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের পদ্মার চরঘেষা রিয়াজ উদ্দিন বিশ্বাস জানান প্রথম দফায় শীলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ী তছনছ হয়ে যায়। ছেলে-মেয়েদের ঘরের এক কোনায় জড়োষড়ো হয়ে বসে থাকলেও দ্বিতীয় দফায় ভোর রাতে শীলা বৃষ্টিতে ঘরের টিনসহ সমস্ত আসবাব পত্র তছনছ হয়ে যায়। এখনো খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছি। উপজেলার ৪টি ইউনিয়নসহ আরো বেশ কয়েকটি স্থানের একই অবস্থা বিদ্যমান। ক্ষতি গ্রস্থ পরিবারগুলো সরকারের সাহায্য সহযোগীতার আশা প্রকাশ করেন।