Monday, September 14

ছুটির দিনেও পরিবহন শূন্য রাজধানী

0

গত রোববার রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে ঝরে যায় দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ। এরপর তার সহপাঠীরা আন্দোলনে নামেন। ধীরে ধীরে এ আন্দোলন পুরো রাজধানীসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনে আজ শুক্রবার সকালেও এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তায় গণ পরিবহন নেই বললেই চলে। ফলে আজও সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির সীমা নেই।

আজ শুক্রবার ছুটির দিন হলেও রাজধানীর বিভিন্ন বাসস্টপে মানুষকে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেক সময় পর পর দুই-একটি গাড়ি আসলেও সেগুলো থাকে ভরা। মানুষ বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যে যাচ্ছেন অনেকে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জ, পল্টন, কাকরাইল, শাহাবাগ, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, বিজয়সরণী রোড, জাতীয় সংসদ, জিয়া পার্ক, শ্যামলী, কল্যাণপুর, টেকনিক্যাল মিরপুর -১ এর মতো ব্যস্ততম সড়কগুলোতে তেমন সাধারণ যান চলাচল চোখে পড়েনি।

এ ছাড়া গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ এলাকায়ও গণপরিবহন চলাচল করছে না বলে জানা গেছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগের সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার পর যদি আন্দোলন হয়, তবে তা কিন্তু অযৌক্তিক হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছি। অনেক দাবি ইতোমধ্যে মেনে নেয়া হয়েছে। যেটা বাকি শুধু সড়ক পরিবহন আইন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আগামী মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে আইনটি অনুমোদন হওয়ার পর সংসদে যাবে। আশা করছি আইনটি পাস হবে।

অপর দিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, দুই সহপাঠী হারিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যে প্রতিবাদ জানিয়েছে তা যৌক্তিক। কিন্তু এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা (সাবোটাজ) ও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই অনুরোধ, যথেষ্ট হয়েছে, তোমরা ক্লাসে ফিরে যাও, বাসায় ফিরে যায়। যদি কিছু ঘটে তবে নিরাপত্তাবাহিনী এর দায় নিয়ে পারবে না।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.