Wednesday, September 16

সালাহ-মিসর দ্বন্দ্ব চরমে

0

বিশ্বকাপ চলাকালেই চেচনিয়ার নাগরিকত্ব নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি করেছিলেন। অনেকে ভেবেছিলেন, মিসরের হয়ে আর খেলবেন না মোহামেদ সালাহ। এবার মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (ইএফএ) যে তোপ দাগালেন, তাতে তা বাস্তবে পরিণত হতে পারে!

রাশিয়ায় সময়টা ভালো কাটেনি মিসরের। গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নেয় নীল নদের দেশ। এ জন্য সালাহকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় ইএফএ। অ্যাসোসিয়েশনের ভাষ্য ছিল- মন দিয়ে খেলেনি দলের প্রাণভোমরা। অধিকন্তু তখনও বিশেষ চিকিৎসা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের জোরালো দাবি করছিল সে।

তবে তা নিয়ে তাৎক্ষণিক মুখ খোলেননি সালাহ। অবশেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন তিনি। বললেন, আমি ইএফএর কাছে বিশেষ চিকিৎসা চাইনি। বিশ্বকাপ চলাকালে অন্য সতীর্থের চেয়ে নিজেকে আলাদা ভাবিনি। অ্যাসোসিয়েশনকে কিছু বললে, স্কোয়াডের সিনিয়র সতীর্থদের নিয়ে বলেছি। যাতে তারা ভালো থাকেন। চাপ না নিয়ে খেলাটা উপভোগ করেন। ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলিনি।

সালাহর দাবি, নিজে তো দূরে থাক, হাজারো অনুনয়-বিনয় করেও বাকি সতীর্থদের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা পাননি অ্যাসোসিয়েশনের কাছ থেকে। ফেসবুক ভিডিওতে দেয়া এক বিবৃতিতে ২৭ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জানান, বিশ্বকাপ চলাকালে বিশেষ খাবারের দরকার ছিল। সেটি সরবরাহ করেনি ইএফএ। এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যেতে আমাদের সঙ্গে গার্ডের দরকার ছিল। সেই কথা জানানো হয়েছিল। তবে সাড়া মেলেনি। যখন দেখেছি, অ্যাসোসিয়েশন সাড়া দিচ্ছে না, তখন একা থেকেছি। দরজা বন্ধ করে ঘরে থেকেছি। নাস্তা বা লাঞ্চ করতে হোটেলেও যাইনি। কারণ গার্ডছাড়া বাইরে গেলে পাপারাজ্জিদের সামলানো মুশকিল।

হয়তো কথার ঝাঁপি খুলে দিতেন না সালাহ। আসলে বাগড়াটা বাধিয়েছে মিসরই। মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ভোদাফোনের সঙ্গে চুক্তি করার দ্বারপ্রান্তে তিনি। এখানেই যত আপত্তি ইএফএর। এ নিয়ে নানা কৈফিয়ত চাচ্ছে তারা। তাই এত কথা বললেন মিসরীয় কিং। বড় মঞ্চে ভালো করতে না পারা এবং সতীর্থদের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারায় সবার কাছে করজোড়ে ক্ষমা চেয়েছেন হালের সেনসেশন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.