এবার নির্বাচনের কারণে ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম প্রহরে সব ধরনের উদযাপন নিষিদ্ধ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। উন্মুক্ত স্থানের পাশাপাশি বাসা-বাড়ির ছাদেও থার্টিফাস্ট নাইটের অনুষ্ঠান করা যাবে না। রোববার সচিবালয়ে আসন্ন বড়দিন উদযাপন এবং থার্টি ফার্স্ট নাইটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আয়োজিত সভা শেষে মন্ত্রী এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানান।
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ভোটের তারিখ ও থার্টিফার্স্ট নাইট কাছাকাছি সময়ে হওয়ায় এবার এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, থার্টিফার্স্টে কোনও অনুষ্ঠান আয়োজন করে সেখানে পার্টি, আতশবাজি কিংবা পটকা ফোটানো যাবে না। আন্তর্জাতিকমানের হোটেলগুলো ছাড়া অন্যান্য বার গুলোতে ৩১ ডিসেম্বর বিকেল থেকে পরদিন বিকেল পর্যন্ত বিক্রি বন্ধ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েও ঘোরাঘুরি করা যাবে না।”
তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর দিন ও রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করা যাবে না, যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেয়া হয়েছে। সারাদেশে সাড়ে তিন হাজার গির্জায় বড়দিন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বড়দিন উপলক্ষে গির্জাগুলোর প্রবেশপথে থাকবে আর্চওয়ে। পাশাপাশি চার্চগুলো নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, থার্টিফাস্ট নাইটের মতো বড়দিনেও কোনও ধরনের আতশবাজি ও পটকা ফোটানো যাবে না।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষাসেবা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।