বনানীর এফআর টাওয়ারের জমির মালিক এস এম এইচ আই ফারুককে (৬৫) গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণের অভিযোগে আনা হয়েছে। শনিবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে গুলশান বারিধারা এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিএমপি) তাকে গ্রেফতার করে।
শনিবার রাতে বনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে দায়ের করা মামলা তিন জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা আসামি হলেন, জমির মালিক এসএম এইচ আই ফারুক (৬৫), রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল (৫৭) ও কাশেম ড্রাইসেল লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী তাসভীরুল ইসলাম (৬২)। এছাড়া এফআর টাওয়ার বিল্ডিংয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতাসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় ভবনটির বর্ধিত অংশের মালিক তাসভীরুল ইসলাম ও জমির মালিক এসএম এইচ আই ফারুক গ্রেফতার করার কার এখন বাকি রয়েছেন রূপায়ন গ্রুপের মালিক লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল। ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গোলাম সাকলায়েন সিথিল এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে বনানীর এফ আর টাওয়ারের আংশিক মালিক বিএনপি নেতা তাসভীর-উল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। শনিবার (৩০ মার্চ) রাতে বনানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বারিধারার বাসা থেকে তাসভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান ঢাকা মহানগর (উত্তর) ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন।
আটক তাসভীর-উল ইসলাম এফ আর টাওয়ারের অবৈধ ফ্লোরগুলোর মালিক এবং কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বলে জানা গেছে। পাশাপাশি তিনি কাশেম ড্রাইসেলস কোম্পানি লিমিডেট নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
এর আগে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় শনিবার পুলিশ বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি মামলা করে। সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে। এখন পর্যন্ত বনানীর আগুনের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৬ জন। আরও অনেকে গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তামানে চিকিৎসাধীন।