আজ ১৯ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) সকালে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি করা হয়,চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন।
মুহাম্মদ জুনায়েদ (যিনি জুনায়েদ বাবুনগরী নামে অধিক পরিচিত) (জন্ম: ৮ অক্টোবর ১৯৫৩) একজন বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক, ইসলামি বক্তা আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব।তিনি সবসময় নাস্তিক ও ইসলাম বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন ইসলামি চিন্তাবিদ, জনপ্রিয় একজন মুসলিম নেতা, প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসা অন্যতম প্রধান মুহাদ্দিস এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে পরিচালিত সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব।
জুনাইদ বাবুনগরীর জন্ম ১৯৫৫ সালে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামে। ৫ বছর বয়সে তিনি জামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় ভর্তি হন। এরপর ১০ বছর আল্-জামিয়াতুল আহ্লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় অতিবাহিত করেন। ২০ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচি মাদরাসায় ভর্তি হন।
কর্মজীবনে জুনাইদ বাবুনগরী একাধারে চার বছর অধ্যয়ন ও বিশ্ববিখ্যাত ধর্মগুরুদের পদাঙ্ক অনুসরণের মাধ্যমে হাদিস, তাফসির, ফিকাহশাস্ত্র বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি চট্টগ্রামে আল্-জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে তিনি নিযুক্ত হন। বর্তমানে তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম এর মুহাদ্দিসের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
জুনায়েদ বাবুনগরী মনে করতেন, বাংলাদেশ মুসলমানদের দেশ হিসেবে এখানে নাস্তিকদের থাকার অধিকার নেই। এমনকি, তিনি হেফাজতে ইসলামের মুখপাত্র হিসেবে বলেন, “এদেশে নাস্তিক মুরতাদরা থাকবে নয়তো হেফাজত থাকবে।” এছাড়াও তিনি নাস্তিকদের দেশ থেকে বিতারণের জন্য বিভিন্ন সময় কঠোর ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন।