Friday, September 4

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন : কোটালীপাড়ায় আ’লীগ মনোনয়ন নেই

0

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাউকে আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
গণভবনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ধাপের নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত দলের মনোনয়ন বোর্ড সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, যেহেতু কোটালীপাড়ায় আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থী নেই। তাই আমাদের এই উপজেলায় জননেত্রী শেখ হাসিনা কাউকে মনোনয়ন না দিয়ে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। এখন যে যার মতো করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।
এই সিদ্ধান্তে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। কেউ এই সিদ্ধান্তকে ভালো বললেও অনেকে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।
এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৪ জন প্রার্থী দলের ধানমন্ডি কার্যালয় থেকে দলীয় ফরম ক্রয় করে মনোনয়নের জন্য জমা দিয়ে ছিলেন। এরা হলেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার, সাবেক চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, জেলা পরিষদ সদস্য দেব দুলাল বসু পল্টু, দলের উপজেলা সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জয়ধর, কমল সেন, জাহাঙ্গীর হোসেন খান, নিখিল দত্ত, সাবেক পৌর মেয়র এইচ এম অহিদুল ইসলাম হাজরা, শেখ রাসেল কলেজের অধ্যক্ষ রবীন্দ্রনাথ বাড়ৈ, কাজী মন্টু কলেজের অধ্যক্ষ বিমলেন্দু সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা তাপস হালদার, চিত্ত তালুকদার, রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ভীম চন্দ্র বাগচী ও কলাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কৃষ্ণ প্রসাদ মজুমদার।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে উপজেলা আওয়ামীলীগের এক নেতা বলেন, যেখানে সারা দেশে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নিজ জেলায় নৌকা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হবে। দলের এমন সিদ্ধান্তে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।
উপজেলার ঘাঘর বাজারের ব্যবসায়ী পিংকু সাহা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন উন্মুক্ত করে দিয়ে একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিন্ধান্তে ভোটারদের মূল্যায়ন হবে। ভোটাররা তাদের পছন্দেও মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।
উল্লেখ তৃতীয় ধাপে আগামী ২৪ মার্চ কোটালীপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.