Monday, August 24

খোকসা পাইলট হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ

0

খোকসা প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি টেস্ট পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন চার্জের নামে অতিরিক্ত ফিস আদায় করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী অভিভাবকরা জানায়, খোকসা জনিপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক শাখা থেকে প্রায় ২০৫ জন শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা। নিয়মিত এসব শিক্ষার্থীরা টেষ্ট পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। আর এ সুযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আলী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সেশন চার্জের নামে ৭৫০ টাকা হারে আদায় করছেন। পরীক্ষার ফিস বাবদ ৫শ টাকা ও এক সাথে ১ বছরের মাসিক বেতন আদায় করা হচ্ছে ১৮০ টাকা। সাথে অলিখিত জরিমানা আদায় রয়েছে। সব মিলিয়ে মানবিক ও বানিজ্য শাখার পরীক্ষার্থী প্রতি ১৪৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১৮৬০ টাকা।

বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক যোগদানের পর থেকে অলিখিতভাবে সেশন চার্জ আদায় করা হচ্ছে। তবে গতবছর স্কুলটি জাতীয়করণের পর থেকে সেশনচার্জ শব্দটি বিদ্যালয়ের আদায় রশিদে মুদ্রন করা হয়েছে।

দশম শ্রেণির এক ছাত্রের অভিভাবক কাজী এনামূল হক ডলার বলেন, বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে জানলে প্রধান শিক্ষক তার পছন্দের শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করাবেন। এই ভয়ে অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়না। তবে প্রধান শিক্ষক উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের ভুলভাল বুঝিয়ে অতিরিক্ত সেশন চার্জসহ নানা ভাবে অর্থ আদায় করে আসছেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মহম্মদ আলী সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, সেশন চার্জের বিষয়ে আগেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তদন্ত হয়েছে। প্রর্কৃত পক্ষে সেশন চার্জ হচ্ছে অনেকগুলো জরিমানার অংশ। পূর্ববর্তী সভাপতির করা রেজুলেশন অনুযায়ী তিনি সমস্ত ফিস আদায় করছেন। তিনি সাংবাদিকদের রেজুলেশন দেখানোর জন্যও ডাকেন। আর রেজুলেশন বলেই তার সমস্ত ফিস আদায় বৈধ বলেও তিনি দাবি করেন। উপজেলার সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সেশন চার্জ সরকারি নির্দ্ধারিত। তবে উপজেলা পর্যায়ে কত নেওয়া বিধান আছে সে বিষয়ে তিনি পরে জানাবেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মৌসুমি জেরিন কান্তা বলেন, এ ব্যাপারে তিনি কোন অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.