দক্ষিণ আফ্রিকা পূর্ণাঙ্গ সফরে হোয়াইটওয়াশ হয়ে আন্তর্জাতিক বছর শেষ করেছে টাইগাররা। সেই লজ্জা ভুলে এবার নতুন বছরে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় সবার কণ্ঠে।
জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে আসন্ন সিরিজ উপলক্ষে কঠোর অনুশীলনে থাকা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অন্যতম তাসকিন আহমেদ। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ব্যর্থতা আর খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বে অনুশীলন নিয়ে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন তাসকিন। তরুণ এই পেসার মনে করেন, আউট সুইং নিয়ে বেশি কাজ করতে গিয়ে সফরে সেভাবে কার্যকর ছিল না তার বোলিং, ‘সুজন স্যারের সঙ্গে আমরা বোলাররা ছোটবেলা থেকেই কাজ করছি। তিনি জানেন, কার কী শক্তি। আমার সহজাত ইন সুইং রেখে হয়ত দক্ষিণ আফ্রিকায় আউট সু্ইং নিয়ে বেশি কাজ করতে গিয়ে মূল শক্তির জায়গায় ফোকাস করা হয়নি। এখন আবার সেটা করছি। স্যার সেখানেই ফোকাস করাচ্ছেন। আশা করি, ঠিক হয়ে যাবে।’
ত্রিদেশীয় সিরিজ আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ উপলক্ষে মিরপুরে চলছে জাতীয় দলের ক্যাম্প। পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ এখনও যোগ দেননি দলের সঙ্গে। পেসারদের সঙ্গে কাজ করছেন খালেদ মাহমুদ। সাবেক এই অলরাউন্ডার বোলারদের শক্তির জায়গা নিয়ে আপাতত কাজ করছেন। সুজন মূলত বোলারদের মূল শক্তির জায়গাটি বের করে তাতে জোর দিচ্ছেন। আরও ধাঁরালো করার চেষ্টা করছেন।
তাসকিনের ভাষায়, ‘সুজন স্যার স্পটে বোলিং করিয়ে দেখছেন কার অ্যাকুরেসি কেমন, তার ভিডিও করা হচ্ছে। ভিন্ন ধরনের অনুশীলন হচ্ছে। আমরা স্কিল নিয়ে কাজ করছি। সিম পজিশন ঠিক করা, যার যা শক্তি- আউট সুইং, ইন সুইং (নিয়ে কাজ করছি)। শক্তির জায়গায় কিভাবে উন্নতি করা যায় এবং অ্যাকুরেসি কিভাবে বাড়ানো যায় তা নিয়ে কাজ করছি। ‘
চলতি বছরটা খুব একটা ভালো কাটেনি বাংলাদেশের পেসারদের। দেশের বাইরে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। তাসকিন জানান, শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে উন্মুখ পেসাররা।
সদ্য বিবাহিত এই তরুণ পেসার বললেন, ‘সত্যি কথা বলতে কী, শেষ দুটি সিরিজ আমাদের ভালো যায়নি। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজটা বোলারদের জন্য খুব খারাপ ছিল। আশা করি, আমরা পরের সিরিজে ফিরে আসব। সবাই কঠোর পরিশ্রম করছে। তাগিদটাও সবার বেশি। সেজন্য ফলটাও আশা করি ভালো হবে। ‘