Sunday, August 16

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত  হয়ে আরও ২৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত এক হাজার ৫৩২

0

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত  হয়ে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৮০ জনে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৫৩২ জন। এতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ হাজার ৬১০ জন।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিন উপস্থাপন করেন অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি ৪৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় হাজার ১৮৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আট হাজার ৯০৯টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫৮৩টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৫৩২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৬১০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ২৮ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৮০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৪১৫ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ছয় হাজার ৯০১ জনে।

রোববারের বুলেটিনে বলা হয়, করোনা রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে আরও ২৫৩ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন চার হাজার ৪৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৯৪ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন দুই হাজার ১৬৩ জন।

সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা আছে ১৩ হাজার ২৮৪টি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় সাত হাজার ২৫০টি এবং ঢাকার বাইরে আছে ছয় হাজার ১৪টি। এসব হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা আছে ৩৯৯টি, ডায়ালাইসিস ইউনিট আছে ১০৬টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে তিন হাজার ৬৩ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে দুই লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯জ নকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন তিন হাজার ৮৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন দুই লাখ আট হাজার ৩৪৬জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৫ হাজার ১৫৩ জন।

দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য ৬২৬টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সেবা দেয়া যাবে ৩১ হাজার ৮৪০ জনকে।

বুলেটিনে বরাবরের মতোই করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সবাইকে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ-নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.