Thursday, August 27

নওগাঁয় একই দিনে দুই মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষিত : দুই ধর্ষক গ্রেফতার!

0

ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, নওগাঁ সংবাদদাতা:

নওগাঁয় একই দিনে দুই মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ধামইরহাট থানায় পৃথক দুটি ধর্ষণ মামলা করেছেন ধর্ষিতাদের মা। পরে পুলিশ অাসামীদের নওগাঁ জেলা কোর্টে হাজির করলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের জবানবন্দী দেন ও ধর্ষকদের জেলখানায় প্রেরণ করেন।

ধামইরহাট থানা পুলিশ, স্থানীয় এলাকাবাসী ও মামলার অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার উপজেলার বড়থা ডিআই ফাজিল মাদ্রাসার ৭ম শ্রেনির শিক্ষার্থী কাজীপুর গ্রামের মেয়ে (১৩) দুপুর ১২ টায় মাদ্রাসা ছুটির পরে বাড়ি ফেরার পথে বড়থা-কাজিপুর বিশাল ধান ক্ষেতের মাঠে বড়থা গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে হেলাল হোসেন (২৫) তাকে একা পেয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়েটির চিৎকার শুনে জনৈক কৃষক এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়। ভিকটিম প্রাণভয়ে বাড়ি এসে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে স্থানীয় বাচ্চু ডাক্তারের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি তার পরিবারকে ঘটনার বিষয় জানালে পরিবার থানা পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধর্ষক হেলালসহ ভিকটিমকে রাত ৮ টার দিকে থানায় নিয়ে যায়। ভিকটিমের মা ফেরদৌসি বাদি হয়ে ধামইরহাট থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে, উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের বৈদ্যবাটি এলাকায় বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে মৃত প্রতিবেশিকে দেখতে যায় সাহাপুর মাদ্রাসার ৯ম শ্রেনির শিক্ষার্থী (১৭)। এ সময় মেয়েটিকে একা পেয়ে একই গ্রামের সাবের আলীর ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৮) প্রতিবেশীর বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে প্রতিবেশীর ঘরের ভেতর জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকারে স্থানীয়রা ধর্ষক মাহফুজুরকে হাতে নাতে আটক করে থানা পুলিশে খবর দেয়। থানা পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসলে ভিকটিমের মা মুরশিদা বেগম ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ধামইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) মাহবুব আলম উপরোক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পৃথক দুটি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করে নওগাঁ কোর্টে প্রেরণ করা হয়। তিনি আরো জানান, আসামিরা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন আদালতে। পরে আদালত জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.