নাটোরের লালপুরের যাত্রীবাহী বাস-লেগুনার সংঘর্ষে ১৫ প্রাণ ঝড়ে যাওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে সাতজনকে।
গতকাল শনিবার রাতে বনপাড়া হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ইউছুব আলী বাদী হয়ে লালপুর থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় দুর্ঘটনাকবলিত লেগুনার মালিক, চালক, সহকারী, লেগুনা মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং বাসের চালক ও মালিককে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে লেগুনার চালক ও তাঁর সহকারী দুজনই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এদিকে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ। অন্যদিকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এবং জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া বাইপাসে একটি সভার আয়োজন করেছে বনপাড়া পৌরসভা ও পুলিশ প্রশাসন।
এ সময় সংসদ সদস্য আবদুল কুদ্দুস ও আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পরিবহন খাতের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গতকাল বিকেলে নাটোরের লালপুর উপজেলা কদিমচিলান এলাকায় বাস-লেগুনার সংঘর্ষে দুই শিশুসহ ১৫ জন নিহত হন। নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় একটি লাশ রয়েছে বনপাড়া হাইওয়ে থানায়।