আজ শ্রম ও কমংসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শ্রমিকদের জন্য মোট ১১ লাখ টাকার পৃথক চেক তুলে দেন।
পরিচয় শনাক্ত হওয়ার নিহত তিন শ্রমিকের পরিবারের হাতে মোট ৬ লাখ টাকার পৃথক চেক তুলে দেওয়া হয়। নিহত শ্রমিকদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া বাকিদের আগামীকাল রোববার এক হারে অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চেক হস্তান্তরের সময় শ্রমসচিব বলেন, নিহত নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হাসেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ কারখানায় আগুনে নিহত শ্রমিকদের পরিবার এবং আহতদের চিকিৎসায় অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল থেকে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২২ শ্রমিকের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে এবং নিহত তিন শ্রমিকের পরিবারকে ২ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর নিহত বাকি শ্রমিকের পরিবারকে একই পরিমাণ অর্থসহায়তা দেওয়া হবে।
শ্রমিকদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্টেডশন তহবিল থেকে ২ লাখ টাকা করে তাদের স্বজনদের হাতে অর্থ সহায়তা তুলে দেওয়া হবে।
কারখানানাটিতে শিশুশ্রমের অভিযোগ সম্পর্কে সচিব বলেন, কারখানা পরিদর্শন ব্যবস্থায় নিজস্ব একটি পদ্বতি রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে শ্রম আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এখানে চিকিৎসাধীন সব শ্রমিক ঝুঁকিমুক্ত এবং ভালো আছেন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে মহাপরিচালক নাসির উদ্দিন আহমেদ, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচাক গৌতম কুমারসহ শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।