আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ৭০তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই দিবসটি পালন করা হবে।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের উদ্যোগে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে সার্বজনীন মানবাধিকার সনদ গৃহীত হয়। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলো যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করে আসছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ উপলক্ষে আলাদা বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, রাষ্ট্রের পাশাপাশি মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখা সকলের দায়িত্ব। আমি আশা করি, মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় ভুক্তভোগীদের প্রতিকার পাওয়ার পথ সুগম করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, সরকারের পাশাপাশি মানবাধিকার সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সিভিল সোসাইটি, গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফেডারেশন (বিএইচআরএফ) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
সূত্র: বাসস।