ইখতিয়ার উদ্দীন আজাদ, বিশেষ সংবাদদাতা: সত্যিকারের প্রেম নাকি জাত-বিচার মানে না। তাই মুসলিম ছেলে পালিয়ে বিয়ে করলো। শুধু তাই নয় সনাতন ধর্ম হতে নবমুসলিম হয়েছে প্রেমিকা। এ দোষে ছেলেকে না পেয়ে ছেলের পিতা ও ভাইকে ধরে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ছেলের মা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ আমাদের কে হয়রানি ও নির্যাতন করেছে। এমন ঘটনাটি ঘটেছে চট্রগ্রামের বোয়ালমারী। বোয়ালখালী থানার বাসিন্দা আমরা অথচ চট্টগ্রাম নগরী ডবলমুরিং থানা পুলিশ বোয়ালখালীতে এসে আমাদের হয়রানি করছে কিভাবে তা খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার। জানা যায়- চট্টগ্রামর বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম শাকপুরা এলাকার আবদুল শুক্কুরের ছেলে শাহদাৎ হোসন (২৮) এর সাথে একই এলাকার স্বপন মহাজনের মেয়ে মেঘলা মহাজনের (২২) প্রেমের সম্পর্ক চলে আসতে থাকে দীর্ঘদিন যাবৎ ধরে। এ সম্পর্ককে প্রণয়ে রুপ দিতে এক পর্যায়ে তারা উভয়ে পালিয়ে যায়। পরে মেঘলা ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম পাল্টিয়ে সুনেহেরা ইসলাম (মেঘলা) নাম ধারণ করে।
গত ১৩ নভেম্বর কোর্টে হাজির হয়ে প্রেমিক শাহাদাৎ হোসেনের সাথে বিয়ে কার্য সম্পন্ন করেন। অভিযোগ রয়েছে, গত (১৫ নভেম্বর) শুক্রবার শেষ রাতের দিকে পুলিশ শাহাদাৎ হোসেনের বোয়ালখালীস্হ গ্রামের বাড়ী থেকে তাঁর অসুস্হ পিতা আবদুর শুক্কুর ও ছোট ভাই জয়নাল আবেদিন কে তুলে নিয়ে যান। পরদিন শাহাদাতের পরিবার বোয়ালখালী থানায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারে বোয়ালখালী পুলিশ এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না।
অনেক খোঁজাখুজির পর জানতে পারে নগরীর ডবল মুড়িং থানা পুলিশ বোয়ালখালী থানাকে না জানিয়ে তাদের তুলে নিয়ে শারিরিক নির্যাতন করে । যাতে আবদুর শুক্কুর খুবই অসুস্হ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ পরিবারের। জানতে চাইলে বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নেয়ামত উল্লাহ পি পি এম বলেন- এ বিষয়ে আমি অবগত নই, কারা তাদের তুলে নিয়ে গেছেন বা কি জন্য নিয়ে গেছেন তা আমরা কিছুই জানিনা। তবে ওসি ডবল মুরিং সদীপ কুমার দাশ বোয়ালখালী থেকে দু’আসামীকে আটক করার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্বপন মহাজন নামের একজন বাদীর সুনির্দিষ্ট অপহরণ মামলায় তাদের আটক করে কোর্টে হস্তান্তর করা হয়।