Wednesday, August 19

মধ্যরাতে দু:স্থদের ঘরে চাল-ডাল পৌছে দিচ্ছেন শার্শার তরুন সমাজ সেবক সুমন

0

মোঃ আইয়ুব হোসেন পক্ষী,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভয়ানক মহামারি কোভিড-১৯,করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিশ্ব জুড়ে চলছে লকডাউন কর্মসুচী। ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে সর্বস্তরের মানুষ। দিন আনা দিন খায় এমন শ্রমিক কিংবা দিন মুজুর মানুষগুলো পড়েছে বিপাকে। পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায়ত্বের মধ্যে সময় পার করছেন তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চলছে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কর্মসুচী। এ ছাড়াও সমাজের ব্যাক্তি,রাজনৈতিক দল এবং ছোট-বড় সামাজিক সংগঠনগুলো তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এভাবে বন্ধের ঘোষনা আসতে থাকলে সব শ্রেণীর মানুষগুলোও হয়তো অসহায় হয়ে পড়তে পারে!

দেশের এই ক্রান্তি সময়ে এ সমাজের অনেকেই আছেন যারা কাউকে না জানিয়ে অসহায় ও দু:স্থ মানুষদেরকে রাতের আঁধারে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করে চলেছেন। অবশ্য যে কোন দান গোপনে প্রদান করা অতি উত্তম,তবে কিছু কিছু দান কর্মসুচী আবার অন্যকেউ দান প্রদানে উৎসাহ জোগায়। আমরা আশা করি দানকার্য যেভাবেই পরিচালিত হউক অন্তত এই মুহুর্তে মহান রাব্বুল আলামিন সকলকে মাফ করে দিয়ে কবুল করে নেবেন।

যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় তেমনি এক যুবককে পাওয়া গেল এই দান কার্যক্রমে। মো: সাজেদুর রহমান সুমন,বাড়ী তার শার্শা বাজারে, পেশায় তিনি একজন ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী আবার যশোর জেলার সীমান্ত বাস মালিক সমিতি’র যুগ্ম-আহবায়ক। গত মার্চ মাস থেকে সরকার বন্ধ ঘোষনার পর থেকে কখনও তিনি নিজে অথবা তার অফিস স্টাফ দ্বারা রাতের আঁধারে অত্র উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের দু:স্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন। সত্যিই এটি একটি মহৎ কাজ। গভীর রাতে তার এই দানকার্য আমাদের ক্যামেরা ম্যানদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ঐ সময় সুমনের স্টাফবৃন্দ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কথা গুলো বলেছেন,অবশ্য এটি প্রচার করতে নিষেধও করেছেন। কিন্তু আমরা ধৈর্য্য ধরতে পারিনি,কষ্টের বিষয়টি তুলে ধরতে বাধ্য হলাম যাতে করে অন্যরাও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে আসেন।

এ পর্যন্ত তারা বেনাপোল পোর্টথানাধীন সাদীপুর,নামাজগ্রাম,গাজীপুর,ভবারবেড়,বঁড়আঁচড়া,ছোঁট আঁচড়া এবং দিঘীরপাড় সহ শার্শার শ্যামলাগাছি,শার্শা বাজার এলাকার কয়েকটি গ্রামের অসহায় এবং দু:স্থদের মাঝে মধ্য রাতে খাদ্য-দ্রব্য পৌছে দিয়েছেন এবং তা চলমান রেখেছেন। খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে-চাল,ডাল,আলু,পেঁয়াজ,রসুন,সাবান এবং তেল।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.