নোয়াখালী সেনবাগ থানার মতইন গ্রামের মোঃ জালাল আহাম্মদের (প্রবাসি)ও ফাতেমা আক্তারের পুত্র মোঃ ফয়েজুল ইসলাম ( পারভেজ) বয়স ১৪ বছর গত ১৪/৬/২০১৯ তারিখ বিকেল ৫ টায় ঘটনার সুত্রপাত ঃ কানকির হাট বাজার থেকে আসার সময় বাড়ির সামনে আসলে পাশাপাশি বাড়ির মিজান এবং বিরকোটের মামুন নামের দুই বখাটে পারভেজ কে তার বোনের নামে ইভটিজিং কথা বার্তা বলে এবং তার বোনকে বিয়ে দিবে কিনা বলে উত্তরে পারভেজ আমার বোন তোমার মায়ের মতো কথাটি বলার সাথে সাথে মিজান মামুন থাপ্পড় মারে এতে পারভেজ এক থাপ্পড় মেরে দেয় মসজিদে যাওয়ার সময় একজন মুসুল্লি তাদের ছাডিয়ে দেয়। একই দিন পারভেজ সন্ধ্যায় মাগরিবের আজানের সময় দোকান থেকে কিছু আনার জন্য গেলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা মিজান (মতইন) এবং মামুম (বিরকোট) তার উপর আকস্মিক হামলা করে লাঠি কিল ঘুসি মেরে অজ্ঞান করে জোপের পাশে পানিতে পেলে পালিয়ে যায় স্থানীয় লোকজন ধরাধরি করে তাকে সেনবাগ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে ১৮/০৬/২০১৯ ইং ৫ দিন হাসপাতালে থাকার পর পারভেজের মা ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায়
মামলা দায়ের করে থানার আয়ু কাউছার আহাম্মদ ঘটনার তদন্ত করে আসামীদের না পেয়ে আসামিদের থানায় হাজির করার নির্দেশ দেয়। স্থানীয় কিছু নেতা কবির ও বেলাল মামলা তুলে নেয়ার হুমকি দেয়। বাদীপক্ষের কোনো অভিবাবক না থাকায় থানায় বিচার করার জন্য চাপ দেয়। এতে বাদী পক্ষ উপায় না দেখে বৈঠকে বসতে বাধ্য হয়।
গতকাল ২৩/০৬/২০১৯ সন্ধ্যায় বৈঠক বসে. বাদী পক্ষের বলেন, আমার ছেলে পারভেজ কানকির হাট বাজার থেকে বাজার করে আসার পথে আমার মেয়ের নামে অশালীন কথা বার্তা বলার প্রতিবাদ করায় মিজান এবং মামুন আমার ছেলের গায়ে কিল ঘুসি এবং থাপ্পড় মারে একজন মুসুল্লি নামাজে যাওয়ার পথে তাদের ছাড়িয়ে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যেতে বলে। আমার ছেলে ঘরে চলে আসে এই ব্যপারে আমাকে কিছুই জানায় নাই।
সন্ধায় আমার ছেলে দোকান থেকে আমাদের জন্য নাস্তা আনতে গেলে তার উপর প্রথমে মিজান হামলা করে। পরে মামুন ও এসে যোগদান করে লাঠি কিল ঘুসি মেরে অজ্ঞান করে পানিতে পেলে চলে যায় স্থানীয় লোকজন চলে আসলে দুইজন স্থান ত্যাগ করে। প্রতিবেশিদের সহযোগিতায় সেনবাগ জেনারেল হাস্পাতালে ভর্তি করে ৫ দিন হাসপাতালে থাকা কালীন আসামি পক্ষের অভিবাবকদের জানানোর পর ও কেউ আমার ছেলে কে দেখতে আসে নাই। তাই বাধ্য হয়ে আমি মামলা করেছি। এখন আপনাদের কাছে উপযুক্ত বিচার চাই।
আসামীরা তাদের দোষ শিকার করেছে।
বিচারকের বক্তব্য, যেহেতু আসামিরা তাদের দোষ শিকার করেছে এই ঘটনার জন্ন্যে ৬ সদস্যেের জুড়ি বোর্ডের সিদ্ধান্তেে এই বিচারের আসামী পক্ষের প্রকৃত বিচার করলে আসামি পক্ষের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে জরিমানা নয় চিকিৎসা খরচ বাবত ১৫০০০ টাকা দেওয়া হলো। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনো ঘটনা করে থাকলে তাদের আর ছাড় দেওয়া হবেনা।
স্থানীয় আব্দুল মন্নান মেম্বার মহিলা মেম্বার মনি আপা ও বিরকোটের জামাল মেম্বার শামসুল হক মেম্বার। থানার আইয়ু কাউছার আহাম্মেদ ও স্থানীয় আব্দুল হালিম, হাফিজুর রহমান, সোলেমান লিটনও বাবুপুর শ্রীপুরের মুক্তারের উপস্থিতিতে মাত্র ১৫০০০ টাকা জরিমানা করে মুসলেকা নিয়ে আসামীদের ছেড়ে দেয়।