গৌতম চন্দ্র বর্মন, রুহিয়া(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: চাপাতি গ্রামে শিম চাষে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে শীতল বর্মনের।শিম চাষকে পেশা হিসাবে গ্রহন করে তিনি এখন স্বাবলম্বী সরেজমিনে শীতল বর্মনের সাথে কথা বললে তিনি জানান ঠাকুরগাঁও সদর উপজের ১৪ নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের চাপাতি গ্রামের ৬নং ওয়ার্ডে শীতলের শিম ক্ষেত প্রদর্শনীটি।
এ সময় দেখা গেছে শিম ক্ষেতে তার স্ত্রী সন্তান সহ শ্রমিকদের কাজ করতে আরও দেখা যায় উপসহকারি কৃষি অফিসার প্রদর্শনীতে এসে শিম গাছ দেখে পরামর্শ দিচ্ছেন শীতলকে,তিনি জানান পরিবার পরিজন নিয়ে যখন কর্মসংস্থানের অভাবে ঘটকালি কাজ করে মানবেতর জিবন যাপন করেছিলাম,ঠিক সেই সময় স্বল্প খরচে উপসহকারি কৃষি অফিসার পরেশ চন্দ্র রায় কাছে শুনে শিম চাষ করার পদ্ধতি সর্ম্পকে অবগত হই এরপর শিম চাষে মনস্থ করি।
কিন্তু জমি জায়গা সে রকম না থাকায় আমাকে সমস্যায় পড়তে হয়, তারপরো পিচপা হইনি।পিতার সম্পতি রেখে যাওয়া ৩০ শতক জমি নিয়ে শিম চাষ করে সফলতা অর্জন করি। এতে নিজের বাড়ির গোবর সার দিয়ে পরিশ্রম করে এবং জমি চাষাবাদের খরচ ও বীজ ক্রয় করতে তার খরচ হয়েছে ৩০০০/টাকা, বীজ রোপনের পর নিড়ানি সার প্রয়োগ স্প্র,র কাজ তিনি ও তার স্ত্রী নিজেরাই করেন।
তবে মাঝে মধ্যে নিড়ানি ও জাংঙ্গী দিতে পুরো মৌসুমে ৬০০০ হাজার টাকা খরচ হয় বলে জানান তিনি। তিনি শিম চাষের সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে চলতি মৌসুমে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন বলে আশা করেন। বর্তমানে শিম চাষ করে স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে ৪ সদস্যের পরিবার নিয়ে সুখেই দিনাতিপাত করেছেন বলে জানান।
তিনি আরো বলেন, উপসকারী কৃষি অফিসার এর সহযোগিতায় শিমে ভাল ফলন আনতে পেরেছি।স্হানীয় সাংবাদিক গৌতম চন্দ্র বর্মন বলেন শীতল বর্মনের উপসহকারি কৃষি অফিসারের পরামর্শে শিমের যে ফলন হয়েছে আগামীতে তাকে দেখে আরো উৎসাহি হয়ে অনেক শিম চায়ে আগ্রহী হবে।
এ বিষয়ে উপসহকারী কৃষি অফিসার পরেশ চন্দ্র রায়ের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আমি নিয়মিত প্রদর্শনিতে গিয়ে খোজ খবর নিয়েছি এবং রোগ প্রতিরোগের পরামর্শ দিয়েছি।