Saturday, August 22

শিশুর কৃমি প্রতিরোধে যা করণীয়

0

শিশুরা প্রায়ই কৃমির সমস্যায় ভোগে। পেটে কৃমি হলে মাঝে মধ্যে তাদের পেটে যন্ত্রণা হয়, যখন তখন মাথার যন্ত্রণা শুরু হতে পারে। সেই সঙ্গে খাদ্যে অরুচিও দেখা দেয়।
শিশুদের পেটে কৃমি হলে আরও কিছু উপসর্গের মাধ্যমে তা প্রকাশ পায়।
যেমন-
১. মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়
২. মাড়ি থেকে রক্তপাত হয়
৩. ঘুমানোর সময়ে মুখ থেকে লালা পড়ে
৪. অকারণে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে
৫. ত্বকে র্যা শ, চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়
৬. গা-হাত-পা ব্যথা শুরু হয়

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে কৃমির সমস্যা বাড়তে থাকলে রক্তস্বল্পতা এবং আয়রনের ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দেয়। কৃমি থাকলে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে কমতে অ্যানিমিয়া পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া কৃমির জন্য স্মৃতিশক্তিও কমে যায়।
মার্কিন চিকিৎসক আব্রাম বের-এর মতে, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কৃমির সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এ ছাড়া কিছু ঘরোয়া উপায়েও কৃমির সমস্যা কমানো সম্ভব। যেমন-

কাঁচা হলুদ: কাঁচা হলুদ অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। কৃমির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এটি খুবই কার্যকরী একটি উপাদান।

কাঁচা রসুন: কাঁচা রসুনে প্রায় ২০ ধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং ৬০ ধরনের ফাংগাস মেরে ফেলার ক্ষমতা রয়েছে। শিশুদের নিয়মিত কুচি করা রসুন খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

আদা: হজমের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আদা খুবই কার্যকরী। হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, পেটের সংক্রমণ দূর করতে আদার জুড়ি নেই। শিশুকে খালি পেটে কাঁচা আদার রস খাওয়ালে কৃমির সমস্যা দ্রুতই নিরাময় হবে।

পেঁপে: পেটের সমস্যা দূর করতে পেঁপে অত্যন্ত কার্যকরী । যে কোনও ধরনের কৃমি সমস্যা দূর করতে পেঁপের বীজ খুবই কার্যকর। কৃমির সমস্যায় দ্রুত ফল পেতে সন্তানকে পেঁপে আর মধু খাওয়াতে পারেন।

শশার বীজ: ফিতাকৃমির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে শশার বীজ অত্যন্ত কার্যকরী। শশার বীজ শুকিয়ে গুঁডা করে প্রতিদিন এক চা-চামচ করে খেলে কৃমির সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। সূত্র: জি নিউজ

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.