Sunday, August 9

৭ হাজার ৩০টির মতো আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

0

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এক ব্রিফিং এ বলেন, ৭ হাজার ৩০টির মতো শেল্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে লোক নেবার কাজ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। এটাকে এ মুহূর্তে আরও জোরদার করা হয়েছে। আমরা আশা করি আমাদের মাঠ প্রশাসন, আমাদের ভলেন্টিয়াররা যেভাবে কাজ করছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার শতভাগ মানুষকে আমরা সরিয়ে আনতে পারব।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভা শেষে ব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এ তথ্য জানান।

 প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে মিটিংয়ে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধিকে বলা হয়েছে তারা যেন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং কোস্টগার্ডকে সম্পৃক্ত করে দুর্গম এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে আনার জন্য সহযোগিতা করে। তারা এতে সম্মতি দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্টের ভলেন্টিয়াররা সিপিপি ভলেন্টিয়ারদের সাথে কাজ করছে।

এটি কি ঘূর্ণিঝড় সিডরের মতো ধ্বংসাত্মক হবে কিনা- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিডর ছিল সুপার সাইক্লোন। সিবিআর সাইক্লোনের পরে আরেকটা আছে সেটা হচ্ছে ভেরি সিবিআর সাইক্লোন। তারপরে সুপার সাইক্লোন। বাতাসের গতিবেগ ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার হলে এটাকে সিবিআর সাইক্লোন বলা হয়। এটা (সিত্রাং) ভেরি সিবিআর অথবা সুপার সাইক্লোন হওয়ার আপাতত আমাদের কাছে কোনো প্রেডিকশন নেই। ১৫টি জেলায় ২৫ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও এ সময় জানান প্রতিমন্ত্রী। আম্পানে আমরা ২৪ লাখ ৭৬ হাজার আশ্রয় দিতে পেরেছিলাম। এখানে আমরা ২৫ লাখের মতো টার্গেটে রেখেছি ১৫ জেলায়।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি জেলায় ৫ লাখ টাকা করে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি যদি রান্না করা খাবার প্রয়োজন হয়। এ ছাড়া আমরা ড্রাই কেক এবং ড্রাই বিস্কিট পাঠিয়েছি। চাল, তেল, লবণ, চিনি এবং গুঁড়া মসলা পাঠিয়েছি যাতে রান্না করে খাবার খাওয়াতে পারে।

  তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেয়া হয়েছে এটা ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত পর্যন্ত যেতে পারে। এ ঘূর্ণিঝড়ে মানুষ এবং গবাদিপশুর কোনো ক্ষতি না হলেও মৎস্য এবং কৃষি সম্পদের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।আপনারা কতটা প্রস্তুত- জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইনশাল্লাহ আমাদের যে প্রস্তুতি মানুষ এবং গবাদি পশুর কোনো ক্ষতি আসলেই হবে না। তবে মৎস্য সম্পদ এবং কৃষি সম্পদের আমরা কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারব না। প্রাকৃতিক দুর্যোগে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোনোভাবেই ক্ষতিটা মোকাবিলা করা যায় না।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.