হাবিব জুয়েল, রাজশাহী : রাজশাহীর দুর্গাপুরে মাদক মামলায় ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এএসআই মতিয়ার রহমানকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।তবে এ ঘটনা কতটুকু সত্য তা নিয়ে নতুন ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে ।
এ ঘটনায় পুঠিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়।পুঠিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছেন।
কিন্তু সরেজমিন সাংবাদিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে জানতে পারেন যে, রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভা এলাকার দেবীপুর গ্রামের কলিমুদ্দিনের পুত্র শাহাবুল অত্র এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী । সে চলতি বছরের ২১ জুলাই রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে বিপুল পরিমান ফেন্সিডিল সহ আটকও হয়। ওই ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় মামলাও দায়ের করেন। মাত্র কিছু দিন আগে জামিনে কারাগার থেকে ছাড়া পায় শাহাবুল ইসলাম। এরই মধ্যে সে পুনরায় মাদক ব্যাবসায় নতুন ভাবে জড়িয়ে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্র হতে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তবে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, শাহাবুল একজন কুখ্যাত মাদক ব্যাবসায়ী।তার নামে পুঠিয়া, দুর্গাপুর ও চারঘাট থানায় অসংখ্য মাদক মামলা রয়েছে। এ ছাড়াও সে অত্র এলাকাতে একজন সন্ত্রাসী হিসেবেও পরিচিত ।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ঘটনার সময় শাহাবুল বাড়িতে ছিল না। পরে বাড়িতে এসে ঘটনাটি স্ত্রীর কাছে শুনেছেন।
তাই জনমনে এখন প্রশ্ন ,রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এএসআই মতিয়ারের বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ কতটুকু সত্য তা অবশ্যই ক্ষতিয়ে দেখা দরকার নতুবা শাহাবুল ইসলামের মত মাদক ব্যাবসায়ীরা বারবার আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যাবে।
এদিকে পুঠিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম শহীদ এএসআই মতিয়ারকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তদন্তের বিষয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।
তবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে , পূর্ব কোন শত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।