Tuesday, September 22

দু’টি কারণ দেখিয়ে অপুকে ডিভোর্স দিলেন শাকিব! কী বলছেন অভিনেত্রীরা

0

ঢাকার চলচ্চিত্রের নায়ক শাকিব খান গতকাল স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে তালাকনামা পাঠিয়েছেন। শাকিব দেশের বাইরে থাকায় আইনজীবী সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে শাকিব দু’টি কারণ দেখিয়েছেন। শাকিব অভিযোগ করেছেন, অপু তাদের সন্তানকে কাজের লোকের কাছে রেখে ‘কথিত’ বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে ভারতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। দ্বিতীয় অভিযোগে শাকিব জানিয়েছেনে, অপু তার কোনো নির্দেশ মেনে চলেন না। তাই তিনি বিবাহবিচ্ছেদ চান। তবে এ তালাক কার্যকর হবে নোটিশ পাঠানোর তারিখ থেকে তিন মাস পর।

কিন্তু শাকিবের এমন সিদ্ধান্তকে অমানবিক বলে মনে করছেন ঢালিউডের অভিনেত্রীরা। কেউ কেউ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, সমালোচনা করেছেন শাকিবের।

মৌসুমী : জয়ের জন্য খারাপ লাগছে। সানীর কাছে প্রায়ই জানতে চাই, জয় কেমন আছে। স্বামী-স্ত্রীর মনোমালিন্য হতেই পারে। তাই বলে এখনই ডিভোর্স! আর পাঁচটা বছর পরে হলে কি খুব ক্ষতি হতো? জানি না শাকিব সিদ্ধান্ত বদল করবে কি না, তবে দোয়া করি আবার তাদের সংসার জোড়া লাগুক।

পপি : যদিও ব্যাপারটা তাঁদের ব্যক্তিগত, তবু আমি এই সিদ্ধান্ত মানতে পারছি না। অপু ভালোবেসে শাকিবকে বিয়ে করেছে, ধর্ম ত্যাগ করেছে। তাদের ঘরে এক বছরের একটি ছেলে আছে। এ সময় ডিভোর্স হওয়া মানে ছেলেটি তার মা-বাবার সান্নিধ্য হারাবে।

নিপুণ : বুঝতে পারছি না শাকিব খান দেশের বাইরে বসে কেন একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে? জীবনটাকে কি সে সিনেমা মনে করছে? আমি চাই, দেশে ফিরে সে অপুর সঙ্গে বসুক। দুজন আরেকবার দুজনকে বোঝার চেষ্টা করুক। কারণ এখন জীবন মানে আর শাকিব-অপু নয়, তাদের বাইরে জয়ও আছে। এমন একটি বাচ্চাকে শাকিব কী করে ভুলে যেতে চায়! ভরণ-পোষণ দিলেই কি বাবা হওয়া যায়? আমার বিশ্বাস, আবার তারা এক হবে। অন্তত জয়ের জন্য হলেও স্যাক্রিফাইস করবে।

বর্ষা : শাকিব-অপুর সংসার ভেঙে যাওয়ায় আমি মর্মাহত। সিনেমার সফল জুটি তারা। ভেবেছিলাম নিজেদের মধ্যে যেটুকু মনোমালিন্য হয়েছিল, তা মিটিয়ে নেবে। অথচ বিপরীত হলো। শাকিব এত দিনের সম্পর্ককে এত সহজেই ছিন্ন করে দিল, এটা মেনে নেওয়া কষ্টের। অপু নিজের পরিবার ও ধর্মকে দূরে ঠেলে শাকিবের কাছে এসেছিল। শাকিবের ওপর ভরসা রেখেই ক্যারিয়ার ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিল। এর প্রতিদান কি তালাক? ভক্তরা তাহলে একজন তারকার কাছ থেকে কী শিখবে!

মাহিয়া মাহি : অপু বিশ্বাসের মতো সংসারী মেয়ে কম দেখেছি। আমি নিজেও এত সংসারী নই। যেটুকু সময় অপুদির সঙ্গ পেয়েছি, সব সময় তাঁর মুখে শাকিব ভাইয়ের গল্প শুনেছি। শাকিব এটা খেতে পছন্দ করে, ওটা করতে ভালোবাসে—আরো কত কী! অথচ বেচারি ভালোবাসার প্রতিদান এই পেলেন! ঘটনাটা শোনার পর থেকে জয়ের মুখটা চোখে ভাসছে। এমন একটা বাবুকে রেখে কিভাবে শাকিব ভাই এই সিদ্ধান্ত নিলেন? ডিভোর্স লেটারের অভিযোগগুলো শুনলাম। এত সামান্য ব্যাপারে কেউ ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তা আজ প্রথম জানলাম। এটা একজন তারকার কাছে আশা করিনি আমরা।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.