মুজিব, চট্টগ্রাম: নাগরিক জীবনের ক্লান্তি কাটাতে ছোট শিশুটিকে নিয়ে শিশু পার্কে যাবেন? কিন্তু পড়তে হবে নানান বিড়ম্বনায়। নির্মল বিনোদনের জায়গা শিশু পার্কটি এখন নিজেই নানান সমস্যায় জর্জরিত।
ব্যস্ত নগর জীবনে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার আশায় শিশুসহ সব শ্রেণীর মানুষ ভীড় জমান শিশুপার্কে। কিন্তু সেখানে নেই আগের মত নির্মল আনন্দের পরিবেশ। পার্কে আসা দর্শকদের প্রায়শই নানান বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।
সপ্তাহের অন্যদিন ভিড় কম থাকলেও ছুটির দিনগুলোতে পার্কে ভিড় থাকে দর্শনার্থীর। তবে গাড়ী পার্কিংয়ের সুব্যবস্থা না থাকায় সংকটে পড়েন গাড়ি নিয়ে পার্কে আগত দর্শনার্থীরা। এছাড়া পার্কের ভেতরে যেসব বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে সেগুলো খুবই পুরাতন ও জরাজীর্ণ। যেকোনো সময় খুঁটিগুলো ভেঙ্গে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশংকা করেছেন দর্শনার্থীরা।
পার্কে দীর্ঘদিন ধরে কোন সংস্কার না থাকার কথা উল্লেখ করে এক দর্শনার্থী কে জানান, পার্কের পরিবেশ আগের মত নেই। মাঝে মাঝে পার্কে আসি শিশুদের নিয়ে। কিন্তু গত দুই বছরে কোনো সংস্কার কাজ চোখে পড়েনি।
পার্কে বাইরের খাবার ভিতরে নিয়ে যাওয়া নিষেধ। আর ভিতরে যেসব ফাস্টফুডের দোকান রয়েছে সেগুলোতে গলা কাটা দাম। তাছাড়া খাবার কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত তা নিয়েও থাকে নানান প্রশ্ন। পার্কের বাইরে প্রতি প্লেট ফুসকা ২৫টাকা দামে বিক্রি হলেও ভেতরে দাম ৪০ টাকা। এ রকম প্রতিটি খাবারের দামই প্রায় দ্বিগুন নেয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন দর্শনার্থীরা। তবে পার্কের দোকানদার মাসুদ জানান, এখানে ভাড়া বেশি, তাই খাবার দাবার বেশিদামে বিক্রি করতে হয়।
পার্কে মাঝে মাঝেই সংস্কার কাজ করা হয় বলে দাবি করেন চট্টগ্রাম শিশু পার্কের ম্যানেজার সরোয়ার আলম জানায়, সংস্কার কাজ করার জন্য আরো বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে। যেগুলো অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রসংগত, প্রতিদিন শিশু পার্ক খোলা থাকে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮.৩০ মি. পর্যন্ত। তাছাড়া শুক্রবার ও ছুটিরদিনে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে রাত ১০টা পর্যন্ত পার্ক খোলা থাকে।