জাহিদ শিকদার, জেলা প্রতিনিধি (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর বাউফলে সরকারী নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে রাতের আধাঁরে চলছে ফ্রি স্টাইলে সুক্ষ ফাঁসের বাধাঁ, বেহুন্দী জাল দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেনু পোনা নিধনের মহাউৎসব।
স্থানীয় এক শ্রেনীর জেলেরা উপজেলার তেতুলিয়া নদীর একাধিক পয়েন্টে এ জাতীয় ঘন ফাঁসের জাল দিয়ে প্রতিদিন মেরে ফেলছে মাছের ছোট ছোট রেনু পোনা। এর ফলে মৎস ভান্ডার এক সময় শুন্য হয়ে পরবে বলে ধারনা করছেন অভিজ্ঞ জেলেরা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, এই সব জেলেরা প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় প্রতিদিন রাত ৯টার পর নদীতে জাল ফেলে এবং ভোর হওয়ার আগেই তুলে নিয়ে যায়, দিনের বেলায় যাতে কেউ বুঝতে না পাররে এ জন্য গোজ খুটার সাথে কলা গাছ, বোতল ও প্লুট বেধে রাখে। এ জাতীয় সুক্ষ ঘন ফাঁসের জাল দিয়ে প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ টাকার পোয়া, ফালিশা, তাপসি, বাইলা, গাগড়া, চিংড়ি, চাপলি ও ইলিশের পোনা সহ লক্ষ লক্ষ মাছের রেনু পোনা নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে জেলেরা। এসব মাছ স্থানীয় হাট-বাজার থেকে শুরু করে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে ২০/২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি ও স্থানীয় কয়েক জন মাছ ব্যাবসায়ীর কাছে বিক্রি করছে জেলেরা।
সরেজমিনে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে তেতুলিয়া নদীর নিমদী পয়েন্ট থেকে উত্তর দিকে চর কচ্চপিয়ার মাথা পর্যন্ত এ রকমই দেখা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিজ্ঞ জেলেরা জানান- কিছু অসাধু মৎস ব্যাবসয়ীরা দাদন দিয়ে জাল কিনে দিয়ে মাছের রেনু পোনা ধরতে উৎসাহীৎ করছে জেলেদেরকে, এ সব জেলেরা প্রতিদিন যে পরিমানে মাছের রেনু পোনা নষ্ট করছে তা থেকে কয়েক দিন বিরত রাখতে পারলে নদীতে আর কোন মাছের অভাব থাকবে না, আর কষ্ট করতে হবে না আমাদের মত সাধারন জেলেদের, তাই দ্রুত এ সব অসাধু মৎস ব্যাবসায়ী ও জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে সাধারন জেলেরা।