জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরে সরিষাবাড়ী উপজেলা চত্বর আওয়ামীলীগের পার্টি অফিসে গত বুধবার (২২ নভেম্বর) সন্ধায় পূর্ব বিরোধের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী এবং সজীব ওয়াজেদ জয় এর ছবি সহ বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম (এমপি) ও জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মুরাদ হাসান (সাবেক এমপি )এর ব্যনার কেটে ফেলেন ঘটনা ঘটেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,পূর্ব বিরোধের কারনেই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি হয় ।
পৌর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রমজান আলী ও পৌর যুবলীগের সভাপতি সুরুজ্জামান সুরুজের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আওয়ামী লীগের শাখা অফিসের সামনে ওই দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে দু’জনই আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দু’পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় রমজান আলীর সমর্থনে খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে একটি দল আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা চালায়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় খোরশেদ আলমসহ জড়িতদের বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি এমপি প্রার্থী। রমজান আলী আমার কোনো সমর্থক নয়। এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা বলেন, আওয়ামী লীগ অফিসে হামলার কারণে খোরশেদ আলমকে দল থেকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।