কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সকাল থেকে রাজধানীর কাছের জেলাগুলো থেকে রোববার ঢাকামুখী সব গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। ঢাকায় ঢুকতে পারছেনা কোনো গণপরিবহন। পথে পথে গাড়িতে বাধা দিচ্ছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা আসার পথে পুলিশ রায়েরবাগে গাড়ি থামিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গণপরিবহন মালিকরা জানান, দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব পরিবহন বন্ধ থাকবে। শনিবার দিনগত রাত ১২টায় এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাস মালিকরা।
ঠিকানা নামের একটি গণপরিবহনের কন্ট্রাক্টর বলেন, পুলিশ আমার গাড়ি থামিয়েছিলো, কিন্তু ভাগ্যক্রমে কোনরকম আসতে পেরেছি। আটকালে আর বের হতে পারতাম না।
ঢাকা ঢুকার মুখের বিভিন্ন রাস্তায় শতশত লোক দাঁড়িয়ে রয়েছে। তারা কোনো যানবাহন পাচ্ছে না। দু’একটা রিক্সা ও সিএনজি ছাড়া ব্যস্ততম গুলিস্তানেও তেমন কোন গাড়ি লক্ষ্য করা যায়নি।
এমন অবস্থা কেন প্রশ্নের জবাবে এক যাত্রী জানান, আমার মনে হয়, বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকার অঘোষিত হরতাল দিয়ে রেখেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকলে প্রয়োজনে পায়ে হেঁটে নারায়ণগঞ্জ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাব। আমার সঙ্গে ১০ হাজার নেতাকর্মী যাবেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সমাবেশে যাতে যোগ দিতে না পারে এ জন্য নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শনিবার দিনগত রাতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকেও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তৈমূর বলেন, এসব করে সরকার পার পাবে না। আমাদের নেতাকর্মীদের অনেকে আগে থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাই কোনো প্রতিবন্ধকতাই আমাদের রুখতে পারবে না।