ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: উপকূলীয় অঞ্চলের কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

0

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
আজ শুক্রবার থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত উপকূলীয় জেলাসমূহের পানি উন্নয়ন বোর্ড সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। বাসস

শনিবার বিকালের পর বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের প্রভাব অনুভূত হতে পারে। আর খুলনা অঞ্চল দিয়ে মধ্যরাতে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বুলবুল।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এটি আরও শক্তি জুগিয়ে শুক্রবার সকালে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এতে সংকেত বাড়িয়ে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ অধিকাংশ এলাকায় মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করছে। কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ির বৃষ্টিও হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গর ও জেটিতে দুপুর পর্যন্ত পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকলেও সংকেত বাড়লে নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ বন্ধ করে হবে। বন্দর সচিব ওমর ফারুক এমন তথ্যই দিয়েছেন।

শুক্রবার বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল বুলবুল।

বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর বলছে, ওই সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছিল।
তবে ভারতের আবহাওয়া অফিস সকাল সাড়ে ৮টার বুলেটিনে বলেছে, তখন বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ থেকে ১৩০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.