চট্টগ্রাম নগরীতে গতকাল রোববার (৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণপরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। যা সোমবারও চলছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মজীবীসহ সাধারণ মানুষ। ধর্মঘটের কারণে সড়কে গণপরিবহনের যানবাহন কমে যায়। পুলিশের হয়রানি, অনুমোদন, ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম মেট্রো গণপরিবহন মালিক সংগ্রাম পরিষদের ডাকে এই ধর্মঘট চলছে। তবে অন্যান্য পরিবহন সমিতিভুক্ত গাড়ি চলাচল করছে।
ধর্মঘটের কারণে সড়কে গণপরিবহনের সংকট দেখা দিয়েছে। রোববার সকাল থেকে অফিসগামী কর্মজীবীসহ নানান পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে। বাস, টেম্পু ও হিউম্যান হুলার সড়কে চলাচল কমে যায়। যেসব যানবাহন চলাচল করেছে সেগুলোতে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। নগরীর বিভিন্ন স্থানে শতশত যাত্রীকে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। নারীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। যানবাহন সংকটে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও প্যাডল চালিত রিকশাচালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে।
নগরীতে জনদুর্ভোগের এই চিত্র রোববার বিকালে ও সোমবার সকালে অফিসে যাওয়া-আসার সময় দেখা গেছে। এ সময় গণপরিবহনের কোনও গাড়ি দেখলেই যাত্রীরা ঝাঁপিয়ে পড়ছে।
ধর্মঘট আহ্বানকারী সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বলেন, নগরীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বেড়ে গেছে। আমরা যারা নিয়ম মেনে গাড়ি চালাচ্ছি তাদের পুলিশের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। ১১ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।