Saturday, August 1

চট্টগ্রামে শুরু হয়েছে বিজয় উৎসব উদযাপনের ছয়দিনের বিজয় মেলা

0

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম নগরীর কাজিরদেউরী এলাকায় শুরু হয়েছে ছয়দিনের বিজয় মেলা। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে এ মেলার উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়া উদ্দিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বয়াক আহমেদ নেওয়াজ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তীকালীন কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহ নেওয়াজ, ছাত্র প্রতিনিধি মো. জুবায়ের।

‘চলো দুর্জয় প্রাণের আনন্দে’ শিরোনামের এ ঘোষণাপত্রে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, “যেহেতু জাতি, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিতভাবে উদযাপন করার আর কোনো জাতীয় উৎসব নেই, তাই জনগণের সম্মিলনে জাতীয় উৎসব পালনের প্রয়াস নিতে চাই।“বিজয় উৎসব উদযাপনের ঘোষণা করছি। এ উৎসব বিজয় মেলা নামে অবহিত হবে।”

মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বয়াক আহমেদ নেওয়াজ চট্টগ্রামের বিজয় মেলা শুরুর প্রেক্ষাপট বর্নণা করে বলেছেন, ১৯৮৯ সালে এ মাঠে বিজয় মেলা শুরু হয়েছিল। “৯১ সালে এটা আমাদের হাত থেকে চলে গেছে। বিজয় মেলা আয়োজনের জন্য জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রামের এ বিজয় মেলা অনুষ্ঠিত হত সার্কিট হাউস সংলগ্ন মাঠে। পরে সেখানে জিয়া স্মৃতি শিশু পার্ক করা হয়। মেলা সরিয়ে নেওয়া হয় বিপরীতে আউটার স্টেডিয়ামে।

‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, বীর বাঙালির অহংকার’- এই স্লোগান নিয়ে চট্টগ্রামে বিজয়ের মাসে বিজয় মেলার আয়োজন করত ‘মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদ’। সেই মেলা হত এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের আউটার স্টেডিয়ামে।

ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর এবার মেলার আয়োজনের দায়িত্ব নেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। প্রথমে আউটার স্টেডিয়ামে মেলার পরিকল্পনা নিলেও সেখান থেকে সরে এসে পুরানো জায়গায় মেলার আয়োজন করা হয়। বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান ও চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মূল্যবোধকে সামনে রেখে চট্রগ্রামের সর্বস্তরের সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পীদের অংশগ্রহণে দলীয় সংগীত, একক সংগীত, নাচ ও আবৃত্তির আয়োজন থাকবে ছয়দিনব্যাপী এই বিজয় মেলার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলুল বারী।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.