চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাধীন ১১নং ফতেহপুর ইউনিয়নের গৃহবধু তাহমিনা সুলতানা রেশমী (২৬) কে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ করছে তার স্বজনেরা। সোমবার দুপুর ২টায় ১১নং ফতেহপুর ইউনিয়নের জোবরা সকিনাস্থ ১১ মাইল নাহিদা আক্তারের মালিকানাধীন মিনহাজ ম্যানশনস্থ পশ্চিম উত্তর পাশ্বে শয়ন কক্ষের এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানার এডিশনাল এস.পি. জনাব মোঃ মাসুম, অফিসার ইনচার্জ বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর, এস.আই. অজয় কুমার পাল সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘঠনারস্থলের গিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। গৃহবধুর মৃত্যুর ঘটনার পরে তার শশুরবাড়ীর লোকজন পলাতক আছে।
জানা যায় ফটিকছড়ি থানাধীন দৌলতপুর ইউনিয়নের নজব আলী সাব-রেজিষ্ট্রার সাহেবের বাড়ী মোঃ ইউসুফের পুত্র মোঃ নেয়ামত উল্যাহ জীবনের (৩০) সাথে চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় পশ্চিম গোসাইল ডাঙ্গা মোঃ আবদুল নুর ফকিরের কন্যা তাহমিনা সুলতানা রেশমীর (২৬) গত ৩ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী জীবন গৃহবধু রেশমীকে খুব নির্যাতন করতো এই নিয়ে পারিবারিক ভাবে বেশ কয়েক বার বৈঠক হয়। ঘটনার দিন থেকে সকালে স্বামী জীবনের সাথে রেশমীর বাক বিতন্ডা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
এই দিকে গৃহ বধুর পরিবারের লোকজন অভিযোগ করে বলেন তাহমিনা সুলতানা রেশমীকে হত্যা করে লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। বিয়ের পর থেকে তাকে টাকার জন্য অনেক নির্যাতন করত। এই পর্যন্ত আমার মেয়ে ও আমাদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা নিয়ামত উল্যাহ জীবন নিয়েছে। বেশ কয়েক বার সালিশি বৈঠকে তার সমাধান হয় নি। উক্ত ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাটহাজারী মডেল থানার এস.আই. অজয় কুমার পাল বলেন ময়নাতন্তের রিপোর্ট আসার পর হত্যা না আত্মা হত্যা তাহা উদঘাটন করা সম্ভব হবে। তবে নিহত পরিবারের অভিযোগ রেশমীকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ তা তদন্ত করে ঘটনা উদঘাটন করবে এবং আসামীদেরকে ধরার জন্য প্রতিদিন হাট হাজারীর থানার টিম অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নিয়ামত উল্যাহ জীবনসহ অন্যান্য আসামীরা ধরা পড়বে।