নিজ চিকিৎসার তহবিল সংগ্রহে সিঙ্গাপুর কনসার্টে উপস্থিত হবেন এন্ডুকিশোর

0

জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পি এন্ডু কিশোর দীর্ঘদিন থেকে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন । আগামীকাল রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরের জালান বুকিত মেরাহর গেটওয়ে থিয়েটারে এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসার তহবিল সংগ্রহের জন্য গাইবেন তিন সংগীতশিল্পী—সৈয়দ আব্দুলহাদী, সাবিনা ইয়াসমীন ও মিতালী মুখার্জি।

অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন শিল্পী নিজেও। মঞ্চে উঠে তিন কিছু কথাও বলবেন। এছাড়াও গান গাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে তার। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন এন্ড্রু কিশোর নিজেই।

শরীরে নানা ধরনের জটিলতা নিয়ে অসুস্থ অবস্থায় গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছিলেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-রিরীক্ষার পর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে নন-হজিকন লিম্ফোমা ধরা পড়ে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক লিম সুন থাইয়ের অধীনে তার চিকিৎসা শুরু হয়। গত তিন মাস ধরে তার চিকিৎসা চলছে তার। এখন পর্যন্ত তাকে ১৮তম কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। ক্রমান্বয়ে আরও শেষ ৬টি দেওয়া হবে।

এন্ড্রু কিশোরের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি’, ‘আমার বুকের মধ্যে খানে’, ‘আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান’, ‘ভেঙেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’,‘আমি চিরকাল প্রেমের কাঙাল’ প্রভৃতি।

এন্ড্রু কিশোর সংগীতজীবন শুরু করেন আজিজ বাচ্চুর অধীনে প্রাথমিকভাবে সংগীতচর্চার মাধ্যমে। ১৯৭৭ সালে আলম খান সুরারোপিত ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রের ‘অচিনপুরের রাজকুমারী নেই যে তার কেউ’ গানের মধ্য দিয়ে সিনেমার গানে প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর অসংখ্য গানে তিনি প্লেব্যাক করেছেন। দেশের সাদাকালো যুগের নায়ক থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের নায়করাও তার গানে ঠোঁঠ মিলিয়েছেন। বাংলা চলচ্চিত্রের গানে অবদান রাখার জন্য তিনি কয়েকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.