Friday, September 11

শেষ ওভারে রংপুরের হার

0

বিপিএল সপ্তম দিনের প্রথম খেলায় টস জিতে রাজশাহী কিংসকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রংপুর রাইডার্স। চলতি আসরে ৪ ম্যাচ খেলে দুই জয়ে পয়েন্ট তালিকায় রাইডার্সের অবস্থান দুই নম্বরে অন্যদিকে, রাজশাহীর অবস্থান ছয়ে।
রাজশাহী কিংসের দলনেতা মেহেদী মিরাজ ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে নিজেই ইনিংস শুরু করতে আসেন মুমিনুলের সঙ্গে। তাতে কোনও লাভই হয়নি কিংসদের। রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শূন্য রানে।
মুমিনুলও থিতু হতে পারেননি বেশিক্ষণ। ১৬ বলে ১৪ রান করে ফেরেন সোহাগ গাজীর বলে ক্যাচ দিয়ে। গত তিন ম্যাচে ব্যর্থ সৌম্য সরকার আজও বের হতে পারেননি ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে। ১৩ বলে ১৮ রান করে ফেরেন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ হাফিজ করেন ২৯ বলে ২৬ রান। জাকির হোসেন খেলেন রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ৩৬ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন জাকির।
শেষদিকে রায়ান টেন ডেস্কাটে করেন ১৪ রান। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রাজশাহী।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে মিরাজের মতোই ওপেনিংয়ে আসেন ক্রিস গেইলের সঙ্গে রাইডার্স দলনেতা মাশরাফি মুর্তজা।
মাশরাফিও চমক দেখাতে পারেননি। দুই বল খেলে তিনি ফেরেন শূন্য রানে। গেইল গত দুই ম্যাচে জ্বলে উঠতে না পারলেও আজ দিয়েছেন জ্বলে উঠার আভাস। কিংস বোলার কামরুল রাব্বিকে এক ওভারে এক ছয় আর দুই চার দুই ছয় হাঁকিয়ে ওই ওভারেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে। গেইলের ব্যাটে আসে ১৪ বলে ২৩ রান।
দুই নম্বরে ব্যাট করতে আসা মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৩১ বলে ৩০ রান। মাঝে রাবি বোপারা ১ রান বেনি হাওয়েল করেন ৪ রান।
গত তিন ম্যাচের মতো রিলে রুশো এই ম্যাচেও হয়ে উঠেন রংপুরের বাজির ঘোড়া। তার ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হয়েছে রংপুরকে। জিততে হলে শেষ ওভারে রংপুরের লাগে ১০ রান।
মুস্তাফিজের করা ওভারের প্রথম বলে এক রান নিয়ে স্ট্রাইক বদল করেন রুশো। স্ট্রাইক প্রান্তে থাকা ফরহাদ রেজা টানা তিন বলে নিতে পারেননি কোনও রান। চতুর্থ বলে এক রান নিয়ে রুশোকে স্ট্রাইকে দিলে তিনি আর পারেননি দলকে জেতাতে।
শেষ বলে টাই করতে লাগে ছয় রান। শ্রেষ বলে এক রান নিলে রংপুর ম্যাচ হারে ৫ রানে। এই জয়ে আসরের দ্বিতীয় জয় পেল রাজশাহী কিংস।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.