দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) জেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু। আর দুদক কার্যালয়ে টানা তিন ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বললেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। এখনও তা প্রমাণিত নয়।’
সোমবার সকাল ৯টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে পৌঁছান বেসিক ব্যাংকের সাবেক এ চেয়ারম্যান। এর পর সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে টানা তিন ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি কার্যালয় থেকে বের হন।
এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যেসব অভিযোগ তদন্তাধীন, সেগুলোর বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছে। আমি বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব হয়েছে উত্তর দিয়েছি।’
এর আগে রোববার পর্যন্ত দুদক বেসিক ব্যাংকের সাবেক ১০ পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এর ধারাবাহিকতায় ১৯ নভেম্বর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাচ্চুকে নোটিশ দেন। তবে তাকে না পেয়ে তার বাসায় ওই নোটিশ পৌঁছে দেন তারা।
রোববার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের আরও দুই সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। তারা হলেন- সাবেক পর্ষদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম ও আনিস আহমদ।
দুদক কার্যালয়ে এদিন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন পরিচালক জায়েদ হোসেন খান ও পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের টিম।
জিজ্ঞাসাবাদে এ দুই সদস্য নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে অনিয়ম করে ঋণ অনুমোদনের তথ্যপ্রমাণ দেখালে তারা ‘চুপ’ হয়ে যান।
এ দুই সদস্যসহ ঋণ অনিয়মের ঘটনায় এ পর্যন্ত পরিচালনা পর্ষদের সাবেক ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল।
অন্য যে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তারা হলেন- কামরুন নাহার আহমেদ, অধ্যাপক কাজী আকতার হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, ফখরুল ইসলাম, একেএম কামরুল ইসলাম,