Saturday, August 29

অসুস্থ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

যেসব শিশুরা অসুস্থ রয়েছে তাদেরকে চলমান ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তবে সুস্থ হওয়ার পর তারা খেতে পারবে। এজন্য আগামী ১০ দিন এ প্রক্রিয়া চালু থাকবে বলে জানান মন্ত্রী।
আজ শনিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, স্কুলবাস ট্রেন, লঞ্চ ও ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন জনসমাগম স্থলে মোট এক লাখ ৪০ হাজার টিকাকেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তিনি বলেন, শিশুদের অবশ্যই ভরা পেটে টিকা খাওয়াতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অসুস্থ অবস্থায় খাওয়ানো যাবে না। অসুস্থ অবস্থায় খাওয়ালে শরীরের অন্যান্য প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে।

‘তাই তাদের জন্য আগামী ১০ দিন টিকা খাওয়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে সেটা শুধুমাত্র অসুস্থ শিশুদের জন্য। সুস্থ শিশুর অবশ্যই আজকের ভেতরে টিকা খাওয়া সম্পন্ন করবে। এজন্য আমাদের ২ লাখ ৮০ হাজার কর্মী সারাদেশে নিয়োজিত রয়েছে।

এছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে বা একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনদিন ধরে এই টিকা খাওয়ানোর কার্যক্রম চলবে বলে জানান মন্ত্রী।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ক্যাপসুল সংকটের কারণে যে সমস্যা ছিল বা তিনটি বিভাগ ও ছয়টি সিটি কর্পোরেশনে যেভাবে শুধুমাত্র নীল রঙের টিকা খাওয়ানোর কথা ছিল সেটা বাদ দেয়া হয়েছে। খুব দ্রুততম সময়ে আগামী ছয় মাসের জন্য বরাদ্দ ক্যাপসুলগুলো নিয়ে এখন নিয়মমাফিক লাল ও নীল রঙের টিকা খাওয়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী ২৫ লাখ শিশুকে ১ লাখ ইউনিটে নীল ক্যাপসুল এবং ৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ২ লাখ ইউনিটে শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের ক্যাপসুল একাধিকবার ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে। তাই ক্যাপসুলের মান নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। দেশে-বিদেশে একাধিকবার এসব ক্যাপসুল পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন একই বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পারভীন আক্তার, জাতীয় অধ্যাপক ডা. সাহেলা খাতুন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পুষ্টিসেবা বিভাগের লাইন ডিরেক্টর এস এম মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.