Friday, August 28

আকাশে মেঘ, বৃষ্টি নিয়েই এলো আষাঢ়

0

বিদায় নিয়েছে জ্যৈষ্ঠ। কাঠফাটা রোদকে সঙ্গে করে এক বছরের জন্য কোথায় যেন উধাও হয়েছে সে। আর ভরা উন্মাদনা নিয়ে আষাঢ় সেজেছে নবরূপে। প্রথম দিনেই জানান দিয়েছে স্বরূপ। হাতে ছাতা নিতে কেউ যেন না ভোলে সেই বার্তায় দিয়েছে বোধ হয়।

আজ শনিবার সকালে হঠাৎ রাজধানীর বুকে অন্ধকার নামে। কর্মব্যস্ততা নিয়ে যখন শহুরে মানুষেরা ব্যস্ত হয়ে পড়ে হঠাৎ দেখা মেলে বৃষ্টির। কোথাও হালকা, আবার কোথাও একটু ভারি বৃষ্টিতে ভিজিয়ে দেয় চলতি পথের পথিকদের।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আষাঢ়ের প্রভাবে নয়, মৌসুমি বায়ুর কারণে বৃষ্টি নেমেছে।
আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মজুমদার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, দেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে এখনও লঘুচাপ। মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা আছে। এসবের কারণে বৃষ্টি হচ্ছে। জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর বর্ষার মৌসুম। এখন বৃষ্টি হবে। কমবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। তবে ধারাবাহিকভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
আজ সারাদিনে থেমে থেমে বর্ষা হবার সম্ভাবনা আছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দেশের বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগ অতিক্রম করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কোথাও কোথাও এবং খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের কোথাও আবার ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
সময় যেহেতু বর্ষাকাল, এজন্য প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা। বাসা কিংবা কর্মক্ষেত্র যেখানেই যান না কেন সঙ্গে ছাতা ও প্রয়োজনীয় পোশাক নিয়ে চলাচল করতে হবে। খাদ্যাভ্যাসেও আসবে পরিবর্তন। সময় অনুযায়ী শিশুদের যত্ন বাড়াতে হবে। বৃষ্টির পানি থেকে মাথা ও চুল সুরক্ষা করতে হবে।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.