Monday, July 27

আগামী ৪ মাসে মালয়েশিয়া যাবে ৪০ হাজার শ্রমিক : বায়রা মহাসচিব

0

আগামী ৪ মাসে ৪০ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়া যাবে। এ লক্ষ্য পূরণ হলে চলতি বছর দেশটিতে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যা দাঁড়াবে ৭৫ হাজারে। আর সব ঠিক ঠাক মতো চললে আগামী বছর মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যাবে আড়াই লাখ। টিভিএনএ’র সাথে একান্ত আলাপচারিতায় এসব তথ্য জানান, জনশক্তি রপ্তানীকারকদের সংগঠন বায়রা’র মহাসচিব রহুল আমিন স্বপন।

তিনি বলেন, দেশে দিন দিন বেকার সংখ্যা বেড়ে চলছে। বেকারত্ব দূর করতে বিদেশে শ্রমিক রফতানির কোন বিকল্প নেই। অনেক ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানি শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিএমইটির হিসেবে গত ৫ মাসে প্রায় ৩৫ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়া গিয়েছে। এসব শ্রমিক ঐ দেশে বিভিন্ন কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছে। কাজের দক্ষতা এবং পরিশ্রমের কারণে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে কারাখানা মালিকদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশী শ্রমিক। চাহিদার কথা চিন্তা করে বাংলাদেশ থেকে কয়েক লাখ শ্রমিক এখন মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কয়েক হাজার শ্রমিকের ভিসা হয়ে গেছে। অনেকে বিমানের টিকিট কাটার অপেক্ষায় আছেন বলে জানান রুহুল আমিন স্বপন।

১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির সিন্ডিকেট মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাচ্ছে এমন অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বায়রা মহাসচিব মুচকি হাসি দিয়ে বলেন, এ মুহূর্তে ১২৭টি রিক্রুটিং এজেন্সি মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাচ্ছে। আরো রিক্রুটং এজেন্সিকে এ সুযোগ দেয়া হবে। তার পরও কি বলবেন সিন্ডিকেট শ্রমিক পাঠাচ্ছে ? সিন্ডিকেটের অভিযোগ তুলে উচ্চ আদালতে যারা মামলা ঠুকে ছিলেন। সিন্ডিকেট সিন্ডিকেট বলে চিৎকার করে গলা ফাটিয়েছিলেন। তারা এখন মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানি করছে। তারপরও যদি কেউ বলেন শুধু ১০ রিক্রুটিং এজেন্সি ব্যবসা করছে তা অত্যন্ত দু:খজনক। মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোই বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছি। এটি আমাদের কাছে বড় কথা।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ বিদেশীদের গ্রেফতার সম্পর্কে রহুল আমিন স্বপন বলেন, এটি ঐ দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়। তারা সব সময় অবৈধ শ্রমিকদের নিরুৎসাহিত করে। আর বৈধ বিদেশী শ্রমিকদের উৎসাহিত করে। এতে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রফতানি কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না বলে জানান তিনি।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.