তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের বিচারক ইমরুল কায়েস তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
আদালতে এদিন শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী, সারা হোসেন ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষের ছিলেন মহানগর দায়রা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) আব্দুল্লাহ আবু।
প্রসঙ্গত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাতকার দেন শহিদুল আলম। পরে উসকানিমূলক গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির বাসা থেকে শহিদুলকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি পরিচয়ে একদল লোক। এর পর তাকে রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।
এরপর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় ৬ আগস্ট তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
তারপরে গত ১২ আগষ্ট ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় জামিনের আবেদন করা হয়। বিচারক শুনানির জন্য ১১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেন। পরে মহানগর দায়রা আদালতে ২৬ আগষ্ট অন্তবর্তীকালীন জামিনের আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এক আদেশে নির্ধারিত তারিখে (১১ই সেপ্টেম্বর) জামিন শুনানি হবে বলে শহিদুল আলমের আইনজীবীদের জানিয়ে দেন। এরপর শহিদুল আলমের জামিনের জন্য গত ২৮ আগষ্ট হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।