ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেনের গাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। এসময় গাড়িতে থাকা এক গ্রাম পুলিশকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের তালশহর-বাহাদুরপুর সড়কের ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গ্রাম পুলিশের নাম ভানু চন্দ্র দাস (৪৫)। তিনি তালশহর গ্রামের হরি চন্দ্র দাসের ছেলে।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে ভানু চন্দ্র দাস সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমির হোসেনের গাড়িতে তেলভর্তি করার জন্য চালকের সঙ্গে সরাইল বিশ্বরোড পাম্পের দিকে যাচ্ছিল। পথে তালশহর-বাহাদুরপুর সড়কে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা গাড়িটির গতিরোধ করে। পরে অটোরিকশা থেকে তিন-চারজন যুবক অস্ত্র হাতে বের হলে গাড়িচালক দৌড়ে পালিয়ে যান। এ সময় ওই যুবকরা গাড়িতে থাকা গ্রাম পুলিশ ভানু চন্দ্র দাসকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমির হোসেন বলেন, সকাল পৌনে ১০টার দিকে খাটিহাতা বিশ্বরোড এলাকায় পাম্প থেকে গ্যাস আনতে যাচ্ছিল আমার গাড়িচালক। বাহাদুরপুর-তালশহর সড়কের সামনে পৌঁছার পর ৭/৮ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আমার গাড়ি থামিয়ে চালককে টেনে হেঁচড়ে নামায়।
এসময় গাড়িতে থাকা গ্রাম-পুলিশ বানু চিৎকার দিতে চেষ্টা করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা বানুকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা আমাকে ও আমার বাবাকে মারতে এসেছিল। আমরা গাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যাই। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আটক করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান আমির হোসেন।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কারা কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে।