কাপ্তাইপ্রতিনিধিঃ আড়াই দিন মাটি খুঁড়ে বিশাল আকৃতির মাটি আলু বাহির করলেন স্থানীয় কাপ্তাই উপজেলা মুক্তিযোদ্বা কমান্ডার ও দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী। কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি বাসবাসরত বীর বিক্রম এর ছোট ভাই মুক্তিযোদ্বা কামান্ডার শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী নিজ বাসায় তিন বছর পূর্বে বাঁশঝাড়ে একটি মাটি আলু (গর্ত আলু),লাগায়। তিন বছর পর উক্ত মাটি আলু(গর্ত আলু)টি শাহাদাত হোসেন চৌধুরী,তার স্ত্রী এবং ছেলে তিনজন মিলে আড়াই দিন মাটির গর্তখুড়ে বিশাল আকিৃতির আলুটি বাহির করতে সক্ষম হয়।
শতকস্ট করে আলুটি বাহির করার পর সকলেই দেখে অবাক হয়ে যায়। পরিবারের সকলে এ আলুটি ওজন করে দেখে এর পরিমান হল ৪৫ কেজি। আলুটি ফেসবুকে দেওয়ার পর ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুক দেখে ভোক্তা অধিকার মহাপরিচালক ও কাপ্তাই সাবেক নির্বাহী অফিসার বাবলু কুমার শাহা দেখে আবাক হয়ে যায়।তিনি এত বড় আলু আর দেখিনি বলে জাননা। নোয়াখালী এডিসি ও কাপ্তাইয়ের সাবেক নির্বাহী অফিসার তারেকুল আলম বিশাল আকৃতির আলু দেখে তিনিও মতামত করেন। বিভিন্ন জেলার ভাষায় এ আলুকে বিভিন্ন ভাবে বলে থাকে কেউ কেউ বলে লতা আলু,মাইট্যা আলু,পেস্তা আলু ,পাড়া আলু তবে আমাদের দেশের চেয়েও অফ্রিকার লোকাদের সব চেয়ে প্রিয় খাবার এ আলু বলে অনেইক মন্তব্য করেন। আবার অনেকেই এ আলুর ভাগ চেয়ে ফেসবুকে মতামত প্রদান করেন।
এদিকে ষাট উর্ধ্বে গোলাম মাওলা বলেন,এত বড় আলু তিনি জীবনেও দেখিনি বলে মন্তব্য করেন। এদিকে কাপ্তাই উপজেলা মুক্তিযোদ্বা কমান্ডার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন,এ আলুটি তিনি তিন বছর পূর্বে নিজ বাসায় বাঁশ ঝাড়ের নিকট ছোট আকৃতির সাইজে বীজরোপন করে রেখে ছিল। তিনি তিন বছর পর সোমবার(১৯এপ্রিল২০), আলুটি পরিবারের তিনজন মিলে আড়াইদি চেস্টা করে মাটি খুঁড়ে উঠাতে সক্ষম হয় এবং তিনিও এত বড় বিশাল মাইট্যা আলু দেখে অবাক হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেন। তিনি এও বলেন,এত বড় আলু আর তার জীবনে দেখেনি। আলুটি তিনি সখ বসত ফেসবুকে দেওয়ার পর স্থানীয় অনেক লোকজন দেখতে আসে এবং বিভিন্ন বন্ধু ও আত্বিয়-স্বজন ফোন করে খবর নেয় বলে উল্লেখ করেন। প্রতিনিধি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আলুটি নিজের জন্য কিছু,আত্বিয়-স্বজন এবং পাড়া প্রতিবেশিকে প্রদান করবেন বলে মন্তব্য করেন।