ঈদযাত্রাকে আরও সহজতর করতে ট্রেনের আগাম টিকিট স্টেশনের বাহিরে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে বিক্রি করা হবে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন । টিএসসি, সায়েদাবাদ বা রেল ভবনসহ কয়েকটি স্থানে টিকিট বিক্রি হতে পারে।
শুক্রবার সকালে কমলাপুর স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এসময় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, কমলাপুর স্টেশনে টিকিট কিনতে যাত্রীদের দীর্ঘলাইন থাকে। স্টেশন একটা বাজারে রূপ নেয়। যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি কমাতে চলতি মাসে অ্যাপস চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ঘরে বসেই যাত্রীরা টিকিট কিনতে পারবেন।
মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখে আমরা ঢাকা-রাজশাহীর মধ্যে একটি বিরতিহীন ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি, আমরা সেসময় ট্রেন চালু করতে পারব। ইন্দোনেশিয়া থেকে কোচ আনা হয়েছে, সেগুলো সংযোজন করা হবে ট্রেনটিতে। এ ট্রেনটি বিরতিহীন হওয়ায় অন্য কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহী থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়া-আসা করতে পারবেন যাত্রীরা। তিনি আরও বলেন, আগামী এক বছরে ট্রেনে সাড়ে ৫০০ বগি, ১০০টি ইঞ্জিন এবং ২৫০টি কোচ আসবে। তাছাড়া মিটারগেজ লাইন ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে। সবগুলো লাইন হবে ব্রডগেজ।
রেলপথমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় রেলওয়েকে আরও ঢেলে সাজাতে এবং জনগণের কাছাকাছি নিয়ে যেতে। লোকবলের অভাবের অভিযোগ ছিল, সেটাও এখন দূর হওয়ার পথে। আশা করি, সত্যিকারের সেবায় পরিণত হবে রেল।
নুরুল ইসলাম বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৭২টি ট্রেন চুক্তিভিত্তিক বেসরকারিভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই নতুন করে আর কোনও চুক্তি করা হবে না। রেলওয়ে থেকেই আমরা ওই ট্রেনগুলো পরিচালনা করবো। কমলাপুর স্টেশনে বিনা টিকিটে প্রবেশসহ নানা অভিযোগ আছে। আমরা খুব শিগগির ছোট ছোট সব প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেবো। একইসঙ্গে বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণে জরিমানা অব্যাহত থাকবে।