অর্জন, রেকর্ড, সাকিব আল হাসান একে অপরের পরিপূরক। ফুটবলে লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো খেলতে নামলেই কোনও না কোনও রেকর্ড হয়, তেমনি সাকিব খেললেও নিজের ও দলের জন্য কিছু না কিছু রেকর্ড বয়ে আনেন।
ইনজুরির কারণে সাকিব খেলতে পারেননি চলতি বছরের এশিয়া কাপের ফাইনাল। মিস করেছেন দেশের মাঠে জিম্বাবুয়ে সিরিজও। ইনজুরি থেকে ফিরলে প্রত্যেক খেলোয়াড়ই ছন্দে ফিরতে একটু সমস্যায় পড়েন। এই তত্ত্ব সাকিবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। দলে ফিরেই বাজিমাৎ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে। টেস্ট সিরিজে ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগে নৈপুণ্য দেখিয়ে হয়েছেন সিরিজ সেরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ হওয়া তিন ম্যাচ টি-২০ সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ৩ ইনিংসে ৮ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ব্যাট হাতেও উজ্জল ছিলেন তিনি। ১টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ১০৩ রান করেন সাকিব। ফলে সিরিজ সেরার পুরস্কার পান সাকিব।
এই একটি রেকর্ডেই ক্ষান্ত থাকার মানুষ সাকিব নন। ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে গতকাল শনিবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে তিন উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের মধ্যে নাম লিখিয়েছেন তিন নম্বরে। সর্বমোট ৮৮ উইকেট নিয়ে শহিদ আফ্রিদি (৯৮) ও লাসিথ মালিঙ্গার (৯২) পেছনে রয়েছে এই বামহাতি অলরাউন্ডার। ছাড়িয়ে গেছেন উমর গুল ও সাইদ আজমলকে। দু’জনেরই রয়েছে সমান ৮৫ উইকেট।
প্রতিনিয়তই নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। এভাবে নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে থাকলে টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার হতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না টেস্টের এক নম্বর এই অলরাউন্ডারের।
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ সিরিজে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী শীর্ষ পাঁচ বোলার :
খেলোয়াড়|| ম্যাচ || ইনিংস || ওভার রান || উইকেট || ইনিংসে ৪ উইকেট || ম্যাচে ৫ উইকেট
সাকিব আল হাসান
(বাংলাদেশ) ৩ ৩ ১১.৫ ৮৯ ৮ ০ ১
কিমো পল
(ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৩ ৩ ১২.০ ৯২ ৭ ০ ১
শেল্ডন কট্রেল
(ওয়েস্ট ইন্ডিজ) ৩ ৩ ১২.০ ৯৮ ৭ ১ ০
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
(বাংলাদেশ) ৩ ৩ ৫.৪ ৩২ ৫ ০ ০
মুস্তাফিজুর রহমান
(বাংলাদেশ) ৩ ৩ ৯.০ ৯৮ ৫ ০ ০