চট্টগ্রাম-১৪ আসনভূক্ত উত্তর সাতকানিয়ার কালিয়াইশ, কেঁওচিয়া, বাজালিয়া, পুরানগড়, ধর্মপুর ও খাগরিয়া ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক থানা গঠনের দাবিতে বুধবার(৮ আগস্ট) জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেছেন, চন্দনাইশের দোহাজারী, ধোপাছড়িকে উত্তর সাতকানিয়ার ঘাঁড়ে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র উত্তর সাতকানিয়াবাসি কোন অবস্থাতেই মেনে নেবে না। উত্তর সাতকানিয়াকে পৃথক থানা ঘোষণা করে উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
উত্তর সাতকানিয়া থানা বাস্তবায়ন আইনজীবী পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধন সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্যে নতুন উত্তর সাতকানিয়া থানার দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি- এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, এদের সাথে চন্দনাইশের কোন ইউনিয়নকে যুক্ত করতে চাইলে তাতে আইনগত জটিলতার সৃষ্টি হবে। তিনি উত্তর সাতকানিয়াবাসীর আন্দোলনে সর্বাত্মক আইনি সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দেন।
মানববন্ধনে প্রধান বক্তা উত্তর সাতকানিয়া থানার উদ্যোক্তা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক জসীম চৌধুরী সবুজ বলেন, উত্তর সাতকানিয়া ছয় ইউনিয়নের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা পৃথক থানার দাবীতে আজ ঐক্যবদ্ধ। এখানে চন্দনাইশের কোন ইউনিয়নকে চাপিয়ে দেওয়া তারা মেনে নেবে না। দোহাজারীবাসীর দাবী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দোহাজারী, ধোপাছড়ি, হাসিমপুর ও কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নকে নিয়ে চন্দনাইশ থানায় নতুন একটি থানার প্রস্তাব আলোচিত হচ্ছে। সেই প্রস্তাব নিয়ে দোহাজারীবাসী এগিয়ে গেলে উত্তর সাতকানিয়াবাসীর তাতে সমর্থন থাকবে।
এডভোকেট মোহাম্মদ ইউনুছ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং এড. ওসমান গণি খোকন ও এড. শোয়েব আলী চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মোনাফ, বিএফইউজের সহ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। তারা উত্তর সাতকানিয়া থানা বাস্তবায়ন দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
এতে আরো বক্তব্য রাখেন এড. এ কে এম শামসুউদ্দিন কালাম, এড. আহমেদ সাইফুউদ্দিন ছিদ্দিকী, এড. মোস্তফিজুর রহমান, সাতকানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, বাজালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, কেঁওচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মনির আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা মাষ্টার মো. ইউনুছ, সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম বাবর, জামাল উদ্দিন, যুবলীগ নেতা আ স ম ইদ্রিস, ওসমান আলী, টেরীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহমদ হোসেন, তামাকুমন্ডি ব্যবসায়ী সমিতির ফারুক আজম, এরশাদুর রহমান রিটু, মিজানুর রহমান, আবদুলা আল বেলাল, মাবুদ আল জিহাদ, হেলাল উদ্দিন, আতাউর রহমান, মো. রিদুয়ান, আবুল মাজন মাছুম, ইউনুছ ভূইঁয়া রোকন, আবদুর রাজ্জাক রুবেল, শহিদুর রহমান সিকদার, এহছান উলাহ্ মানিক, সাইফুদ্দিন খালেদ, নবকলোল যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আলী, যুবলীগনেতা হেলাল উদ্দিন টিপু, জহিরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, মনছুরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা মোসতাক, শাওন, আশিক, ফাহিম, রাশেদ প্রমূখ।