চট্টগ্রাম-৮ আসনে (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জিয়া উদ্দিন আহমদ বাবলু। আজ মনোনয়ন পত্র বাচাইয়ের দিনে রিটার্নিং অফিসার তার প্রতি অন্যায় করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থী নিজেই।
আজ ১৫ ডিসেম্বর-২০১৯ইং বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়ন পত্র বাছাই শেষে সকল প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ বলে গ্রহণ করলেও কোন প্রকার সমস্যা না থাকা সত্তেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়া উদ্দিন আহমদ বাবলুর মনোনয়ন পত্র বাতিল করে আপিলের জন্য পাঠানো হয়। এতে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জিয়া উদ্দিন বাবলু বলেন, আমি কোন সময় ঋণ খেলাপি ছিলাম না। কোন ঋণ আমি গ্রহণও করিনি। রাজনীতি করি বলে অনেকে আমাদেরকে গ্যারান্টার করার জন্য অনুরোধ করে। জনগণের কল্যাণে যেহেতু রাজনীতি করি তাই কোন কোন মানুষের উপকার করতে গিয়ে গ্যান্টার হয়েছিলাম। কিন্তু যখনই জানতে পারলাম ঠিক তখনই আমি ব্যবস্থা করে একটি অর্থ লগ্নি প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করেছি। ঐ অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিও তা স্বীকার করে তাদের সমস্ত দেওনা পাওনা বুঝে পেয়েছে মর্মে প্রমানাদি পেশ করেন। কিন্তু কেন রিটার্নিং অফিসার এমন করলো তা আমার বোধগম্য নয়। বাবলু আরো বলেন, রিটানির্ং অফিসার মনোনয়ন জমা দানের সাত দিন পূর্বে টাকা পরিশোধের অযুহাত তুলে। আর আমি চারদিন আগে তা পরিশোধ করি। উল্লেখ্য যে সাতদিন আগে টাকা জমা দিবে যিনি ঋণ গ্রহণ করেছে তিনি। জিয়া উদ্দিন বাবলু বলেন আমি ছিলাম শুধুমাত্র একজন গ্যারান্টার।
তিনি আরো বলেন, অপর এক প্রার্থীর ঋণ খেলাপীর অভিযোগ দেন বাংলাদেশ ব্যাংক কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা টাকা পরিশোধ করেছে মর্মে বক্তব্য দেয়ার পর উনার মনোনয়ন বৈধ করা হয় আর আমি একজন গ্যারান্টার, টাকাও পরিশোধ করেছি আবার সেই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা অঙ্গিকার নামা ও প্রত্যয়ন পত্রও দিয়েছে তারপরও আমার মনোনয়ন পত্র অবৈধ ঘোষনা করাই এলাকাবাসীও ক্ষুদ্ধ হয়েছে।
জিয়া উদ্দিন আহমদ বাবলু আরো বলেন, আগামীকাল সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশনে এবং আপিল বিভাগে আমি আপিল করবো আমার মনোনয়ন পত্র বৈধ করার।